Nadia: ফোন করে ছেলে বলেছিল, মিসাইল পড়ছিল কাছেই, তারপর ১১ দিন কেটে গিয়েছে
Iran War: পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার মাস আগে মার্চেন্ট নেভিতে তেলবাহী জাহাজে কাজ করতে যোগ দেন তিনি। সম্প্রতি ইরান থেকে তেল বোঝাই করে জাহাজটির ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎই ওই অঞ্চলে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় মাঝ সমুদ্রে আটকে পড়েছে জাহাজটি।

নদিয়া: ১১ দিন হয়ে গেল ছেলের সঙ্গে ওঁদের কোনও যোগাযোগ নেই। উদ্বেগের দিন-রাত কাটাচ্ছেন তাঁরা। ইরানের তেলবাহী জাহাজে কাজে গিয়ে আটকে পড়েছেন নদিয়ার যুবক। প্রায় চার মাস আগে ইরানে কাজে যান তিনি। প্রায় ১১ দিন ধরে যোগাযোগ নেই তাঁর সঙ্গে তাঁর পরিবারের।
আন্তর্জাতিক জলসীমায় উত্তেজনার মধ্যেই বিপাকে পড়েছেন নদিয়ার পলাশির বড়চাঁদঘর মতুয়া পাড়ার এক যুবক। যুবকের নাম সৌমেন বৈদ্য। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার মাস আগে মার্চেন্ট নেভিতে তেলবাহী জাহাজে কাজ করতে যোগ দেন তিনি। সম্প্রতি ইরান থেকে তেল বোঝাই করে জাহাজটির ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎই ওই অঞ্চলে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় মাঝ সমুদ্রে আটকে পড়েছে জাহাজটি।
পরিবারের দাবি, গত ৩ মার্চ শেষবার ফোনে কথা হয় সৌমেনের সঙ্গে। তখন তিনি জানান, তাঁদের জাহাজের কাছাকাছি মিসাইল পড়ছে এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত আতঙ্কজনক। এমনকী সেই দৃশ্যের ছবি তুলতে গেলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় বলেও পরিবারকে জানান তিনি।
তারপর থেকে কেটে গিয়েছে প্রায় ১০ দিন। আর কোনও যোগাযোগ না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে পরিবার। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আটকে পড়া ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় সেদিকেই তাকিয়ে গোটা পরিবার। সৌমেনের মা দীপ্তি বৈদ্য বলেন, আমার একটাই প্রার্থনা, যেভাবেই হোক আমাদের ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিক কেউ।
