Krishnanagar: সরকারি হাসপাতাল থেকে উধাও প্রসূতির সন্তান, লিখিত অভিযোগ দায়ের থানায়
Nadia: তাহলে কী হল শিশুটির? খোঁজ পাওয়া যায়নি সদ্যজাতর। রোগীর পরিবারের দাবি, এরপর ওই হাসপাতালে ফিরে গেলে তাদেরকে আর ঢুকতে দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ। গর্ভধারণের পর থেকে তার শারীরিক পরীক্ষার সমস্ত কাগজপত্র তাঁদের রয়েছে তাহলে কী হল? এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর পরিবার। আশা কর্মী রোজিনা বিবি শেখ বলেন, "আমার মনে হয়েছে এই মহিলার সঙ্গে চক্রান্ত করা হয়েছে। উনি গর্ভবতী থাকাকালীন থেকে আমি দেখছি। গত ২১ জানুয়ারিও ইউএসজি করিয়েছে তখনও সন্তান ছিল। তাহলে এখন কী হল?"

কৃষ্ণনগর: সরকারি হাসপাতালে সদ্যজাত শিশু উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ রোগীর পরিবারের। প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে এক মহিলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কয়েক ঘণ্টা পর জানা যায় প্রসূতির গর্ভে কোনও সন্তান ছিল না। প্রসূতির অভিযোগ, হাসপাতালে সন্তান প্রসবের জন্য তাকে তোলা হয় টেবিলে। প্রসব প্রক্রিয়ার পর আর সন্ধান পাননি তাঁর সন্তানের বা সদ্যজাতর। যদিও, প্রসূতির গর্ভে নাকি ছিল না সন্তান দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। অপরদিকে, আশা কর্মীর দাবি, শেষবার আল্ট্রা-সনোগ্রাফিতেও দু কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের সন্তান থাকার রিপোর্ট মিলেছিল। অথচ এখন শিশুটির সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে ব্যাপক উত্তেজনা। তদন্ত কমিটি বসিয়ে এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। এই ঘটনায় পরিবারের লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে। অভিযোগ নবদ্বীপের মাম্পি খাতুন নামে কুড়ি বছরের এক গর্ভবতী মহিলাকে নিয়ে আসা হয় গর্ভপাতের জন্য কৃষ্ণনগর সদর হাসপাতালে। সেখানে ভর্তি থাকার বেশ কয়েক ঘণ্টা পর তাকে প্রসবের জন্য টেবিলের তোলা হয়। পরিবারের দাবি, এরপর তাঁকে প্রসব করানো হয়। পরবর্তীতে তাঁকে টেবিল থেকে নামিয়ে বেডে দেওয়া হয়। পুনরায় আল্ট্রা-সনোগ্রাফি পরীক্ষা করার কথা বলেন চিকিৎসক। তখন দেখা যায় ওই মহিলার গর্ভে আর কোনও সন্তান নেই।
তাহলে কী হল শিশুটির? খোঁজ পাওয়া যায়নি সদ্যজাতর। রোগীর পরিবারের দাবি, এরপর ওই হাসপাতালে ফিরে গেলে তাদেরকে আর ঢুকতে দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ। গর্ভধারণের পর থেকে তার শারীরিক পরীক্ষার সমস্ত কাগজপত্র তাঁদের রয়েছে তাহলে কী হল? এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর পরিবার। আশা কর্মী রোজিনা বিবি শেখ বলেন, “আমার মনে হয়েছে এই মহিলার সঙ্গে চক্রান্ত করা হয়েছে। উনি গর্ভবতী থাকাকালীন থেকে আমি দেখছি। গত ২১ জানুয়ারিও ইউএসজি করিয়েছে তখনও সন্তান ছিল। তাহলে এখন কী হল?” মাম্মি খাতুন বলেন, “আমায় শুয়ে দিয়েছিল। তারপর আমার মনে হল সন্তান প্রসব হয়েছে। কিন্তু এখন বলছে হয়নি।”
