AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jhargram: ঐতিহাসিক পদক্ষেপ জঙ্গলমহলে! আদিবাসী পড়ুয়াদের জন্য নয়া দিগন্ত খুলে গেল ঝাড়গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয়ে

উচ্ছ্বসিত জঙ্গলমহলের পড়ুয়ারাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া আদিবাসী অধ্যুষিত ঝাড়গ্রাম জুড়ে। সামাজিক অনুষ্ঠান ও উৎসবের আঙিনা ছাড়িয়ে ধামসা-মাদল এবার জায়গা করে নিল অ্যাকাডেমিক মহলে। আদিবাসী পড়ুয়াদের কাছে খুলে গেল এক নতুন দিগন্ত।

Jhargram: ঐতিহাসিক পদক্ষেপ জঙ্গলমহলে! আদিবাসী পড়ুয়াদের জন্য নয়া দিগন্ত খুলে গেল ঝাড়গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয়ে
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 10, 2026 | 7:16 PM
Share

ঝাড়গ্রাম: এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই গমগম করে উঠবে ধামসা-মাদলের বোল। আদিবাসী লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গবেষণায় এক অভূতপূর্ব নজির গড়ল বাংলা। গোটা দেশে এই প্রথম সাঁওতালি নাচ এবং গানের উপর প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষার পাঠ্যক্রম চালু করল ঝাড়গ্রামের সাধু রামচাঁদ মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়। শুক্রবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই ঐতিহাসিক কোর্সের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন রাজ্যের আদিবাসী দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক চন্দ্রদীপা ঘোষ, বিধায়ক ড. প্রণত টুডু সহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও আধিকারিকেরা।

লোকসংস্কৃতির সংরক্ষণে এই বিশ্ববিদ্যালয় আগেই পথিকৃতের ভূমিকা নিয়েছিল। চালু করা হয়েছিল ঝুমুর নাচ ও গানের স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পাঠ্যক্রম। এবার সেই পথেই আরও এক কদম এগিয়ে সাঁওতালি সঙ্গীত ও নৃত্যকলাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসে জায়গা করে দেওয়া হলো। আদিবাসী বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু বলেন, “সাঁওতালি নাচ-গানে উচ্চশিক্ষা জঙ্গলমহলের বাকি বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয় গুলিতেও চালু করা হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক চন্দ্রদীপা ঘোষ জানান, সাঁওতালি সংস্কৃতির গভীরতা ও শিকড়ের ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। আগামিদিনে জঙ্গলমহলের প্রতিটি প্রান্তেই এই ধারা সম্প্রসারণের ভাবনা রয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিজেদের ঐতিহ্য চর্চা ও গবেষণা করতে পারে।

উচ্ছ্বসিত জঙ্গলমহলের পড়ুয়ারাও। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তে খুশির হাওয়া আদিবাসী অধ্যুষিত ঝাড়গ্রাম জুড়ে। সামাজিক অনুষ্ঠান ও উৎসবের আঙিনা ছাড়িয়ে ধামসা-মাদল এবার জায়গা করে নিল অ্যাকাডেমিক মহলে। পড়ুয়াদের মতে, শিকড়ের এই সংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পাওয়ায় লোকশিল্পের আধুনিক মূল্যায়ন ও গবেষণার বিরাট দিগন্ত খুলে গেল।

Follow Us