SIR: পক্ষাঘাতগ্রস্ত, অ্যাম্বুলেন্সেই হল হিয়ারিং
SIR Hearing: শেখ মনিরুদ্দিনের নাম বাদ গিয়েছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। সেই কারণে দেওয়া হয়েছে শুনানির নোটিস। অন্যদিকে ওই একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলিমা বিবিও পক্ষাঘাতগ্রস্ত। পালবাড়িতে বসবাস ৩০ বছর ধরে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও স্বামীর নামের বানান ভুল থাকায় দেওয়া হয়েছে শুনানির নোটিস।

পশ্চিম মেদিনীপুর: এসআইআর-এর শুনানি কেন্দ্রে ফের হয়রানির অভিযোগ মেদিনীপুর শহরের দুই ভোটারের, জেলাশাসকের অফিস চত্বরেই অ্যাম্বুলেন্সেই হল এসআইআর-এর শুনানি। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাশাসক দফতরের এসআইআর শুনানি কেন্দ্রে। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর পুরসভার অন্তর্গত ১৮ নং ওয়ার্ডের পালবাড়ি এলাকার বাসিন্দা শেখ মনিরুদ্দিন। তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত অবস্থায় ৬ বছর ধরে রয়েছেন বাড়িতে।
শেখ মনিরুদ্দিনের নাম বাদ গিয়েছে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়। সেই কারণে দেওয়া হয়েছে শুনানির নোটিস। অন্যদিকে ওই একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলিমা বিবিও পক্ষাঘাতগ্রস্ত। পালবাড়িতে বসবাস ৩০ বছর ধরে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও স্বামীর নামের বানান ভুল থাকায় দেওয়া হয়েছে শুনানির নোটিস।
শুনানির নোটিস পেয়ে দুই ভোটারের বাড়ির লোক অ্যাম্বুলেন্সে করেই নিয়ে আসেন শুনানি কেন্দ্রে । শুনানি কেন্দ্রে পৌঁছানোর পরই তাঁদের জানানো হয়। অসুস্থ রোগীদের বাড়ি নিয়ে যেতে, তাঁদের বাড়িতে গিয়েই করা হবে শুনানি। এমনটাই জানিয়েছেন দুই ভোটারের পরিজন। যদিও পরবর্তী সময়ে শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত AERO কেন্দ্রের বাইরে বেরিয়ে এসে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক, BLO-কে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে বসেই শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
অবশেষে অ্যাম্বুলেন্সে বসেই শুনানি শেষ করে বাড়ি ফিরলেন দুই ভোটার । তবে কেন অ্যাম্বুলেন্সে তাঁদেরকে নিয়ে আসতে হল শুনানি কেন্দ্রে? AERO সুকর্ণা বিশ্বাস মান্না বলেন, “আমরা হোম হিয়ারিং করছি। আমরা বিএলও-কে জানিয়েছিলাম। বিএলও- ওনাদেরও জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন এই পর্যন্ত এসে গিয়েছেন যখন, এখানেই হয়ে গেল।”
