Katwa College Student Murder: আড্ডা দিচ্ছিল ৩ বন্ধু, আচমকা পিছন থেকে একের পর এক কোপ! কাটোয়ায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল ২১ বছরের কলেজ ছাত্রের দেহ
21-year-old College Student Hacked to Death: এলাকার লোকজন বলছেন রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শাহিদ মিদ্দার। খবর পেয়ে এলাকায় যায় কাটোয়া থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাটোয়া হাসপাতালে আনা হয়।

কাটোয়া: ধারাল অস্ত্র দিয়ে রাতের অন্ধকারে একের পর এক এলোপাথাড়ি কোপ। ঘটনাস্থলে মৃত্যু কলেজ পড়ুয়ার। মৃতের নাম শাহিদ মিদ্দা। বয়স ২১। শনিবার রাত ৯টা নাগাদ এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে কাটোয়ার মুলটি গ্রামে। ঘটনার পরেই এলাকা ছেড়ে চম্পট দুষ্কৃতীদের। শোরগোল গোটা এলাকায়। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।
কী কারণে এই খুন নিয়ে তা নিয়ে রীতিমতো রহস্য দানা বেঁধেছে। মৃত কলেজ পড়ুয়ার পরিবার জানাচ্ছে, কাটোয়া কলেজে পড়ছিল তাঁদের ছেলে। শনিবার রাতে গরমের জন্য এলাকার দুই বন্ধুর সঙ্গে বাড়ির কাছে একটি পুকুর পাড়ে বসে ছিল। তখনই ঘটে এই ঘটনা। আচমকা তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু ভয়ে ছুটে পালায়। যদিও ততক্ষণে শাহিদের চিৎকারে ছুটে এসেছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাদের দেখেই ছুটে পালায় দুষ্কৃতীরা।
এলাকার লোকজন বলছেন রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শাহিদ মিদ্দার। খবর পেয়ে এলাকায় যায় কাটোয়া থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাটোয়া হাসপাতালে আনা হয়। এ ঘটনায় আপাতত শাহিদ মিদ্দার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
মৃতের দাদা আব্দুল্লা মিদ্দা বলছেন, “ওরা রোজই সন্ধ্যায় ওখানে বসে আড্ডা দেয়। কাল হাঠৎ দু’জন পিছন থেকে এসে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। হেঁসো বা কাস্তে করে কোপ মেরেছে। কেন করেছে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। ও তো কোনও রাজনীতিও করে না। কারও সঙ্গে কোনও ঝামেলা নেই। খুবই শান্ত ছেলে। পড়তে পড়তেই চাকরির চেষ্টা করছিল। কী থেকে কী হয়ে গেল বুঝতে পারছি না।”
