Samabay Chaos: সমবায় ব্যাঙ্কে ২ কোটি টাকা তছরুপ, কাঠগড়ায় ম্যানেজার
Samabay Chaos: প্রসঙ্গত, পশ্চিম সুরেন্দ্রনগর সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেড ৬৮ বছরের পুরনো। মূলত কৃষি সমবায় দিয়ে যাত্রা শুরু। রাজ্য সমবায় ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এই কৃষি সমবায়টি। পরে এসএইচজি গ্রুপের মহিলারা এই সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত হন।
পাথরপ্রতিমা: সোনারপুর, রায়দিঘির পর আবারও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাথরপ্রতিমায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগ। আরও একটি কৃষি সমবায় ব্যাঙ্কে প্রায় দুকোটি টাকার আর্থিক তছরুপের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ওই সমবায়ের সম্পাদক ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগে সরব হয়েছেন এসএইচজি গ্রুপের মহিলারা। ইতিমধ্যে সমবায় ব্যাঙ্কের কর্তৃপক্ষ,জেলা প্রশাসনের সমস্ত স্তর এবং পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গ্রুপের মহিলা গ্রাহকেরা। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতর। ৪০টি এসএচইজি গ্রুপের প্রায় সাড়ে চারশোর বেশির মহিলারা গচ্ছিত টাকা ফেরতের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকেও চিঠি পাঠিয়েছেন বলে খবর।
প্রসঙ্গত, পশ্চিম সুরেন্দ্রনগর সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেড ৬৮ বছরের পুরনো। মূলত কৃষি সমবায় দিয়ে যাত্রা শুরু। রাজ্য সমবায় ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয় এই কৃষি সমবায়টি। পরে এসএইচজি গ্রুপের মহিলারা এই সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত হন। সেই গ্রুপেরই মহিলাদের অভিযোগ, গচ্ছিত টাকা ফেরত চেয়ে একাধিকবার আবেদন জানানো হয়েছিল সমবায়ে। টাকা ফেরত না দিয়ে আচমকা ২০২০ সাল নাগাদ সমবায় বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তাঁদের দাবি, প্রায় ৫০ হাজার টাকা করে প্রায় ২ কোটি টাকার কোনও হিসেব দিতে পারেননি সমবায় কর্তৃপক্ষ। সমবায়ের ম্যানেজার তপন প্রধান জানান,”আমরা আমানতকারীদের থেকে টাকা সংগ্রহ করতাম। সমবায়ের বাকি সমস্ত কিছু দেখভাল করতেন সম্পাদক। যদি বেনিয়ম হয়ে থাকে তিনি বলতে পারবেন।” অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সমবায়ের সম্পাদক সমর দোলুই ফোনে জানিয়েছেন,”আমি একজন কংগ্রেস কর্মী। তাই রাজনৈতিকভাবে চক্রান্ত করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। আমি সমবায়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এই বেনিয়াম নিয়ে যথাযথ তদন্তের দাবিতে লিখিতভাবে জানিয়েছি।”
তবে দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন বিজেপির মথুরাপুর সংগঠনিক জেলার সভাপতি নবেন্দু নস্কর। কংগ্রেস সিপিএম জোটের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মানস শাসমল জানিয়েছেন,”বিষয়টি নজরে রয়েছে। প্রশাসনের নজরে এনে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।” অন্যদিকে তৃণমূল নেতা তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি শ্রীমন্ত মালি জানিয়েছেন,”এই বিষয়ে নিয়ে তদন্ত চলছে। যারা দোষীদের তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।”
