AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bishnupur Registry Office Attack: বিচ্ছেদের আক্রোশ? রেজিস্ট্রি অফিসে ঢুকে স্ত্রী-শাশুড়িকে এলোপাথারি কোপ

West Bengal Crime: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের আমতলায় পারিবারিক বিবাদের জেরে চরম পরিণতি। রেজিস্ট্রি অফিসের ভেতরেই স্ত্রী, শাশুড়ি এবং এক আধিকারিককে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা করল এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ। জখম ৩ জন বর্তমানে কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Bishnupur Registry Office Attack: বিচ্ছেদের আক্রোশ? রেজিস্ট্রি অফিসে ঢুকে স্ত্রী-শাশুড়িকে এলোপাথারি কোপ
ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায় Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 11, 2026 | 9:21 AM
Share

বিষ্ণুপুর: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে একটি রেজিস্ট্রি অফিসে ঢুকে স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ স্ত্রী। জখম শাশুড়ি। রেহাই পাননি এক আধিকারিকও। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বিষ্ণুপুর থানার অন্তর্গত আমতলা মোহিত কমপ্লেক্সের সুপার মার্কেটে। শনিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ আমতলা মোহিত কমপ্লেক্সের একটি রেজিস্ট্রি অফিসে কাজ চলছিল। সেখানে ছিলেন রেজিস্টার অফিসার উদয় শঙ্কর অধিকারী। ছিলেন জনৈক লিপিকা প্রধান ও তাঁর মেয়ে বৈশাখী ঘোষ। অভিযোগ, সেই সময় হঠাৎই ধারাল অস্ত্র হাতে সেখানে চড়াও হন বৈশাখীর স্বামী হারু লাল ঘোষ।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই তিনজনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন হারু। এলোপাথাড়ি কোপে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন উদয়বাবু-সহ দুই মহিলা। তাঁদের আর্তচিৎকার শুনে বাজারের অন্যান্য দোকানদাররাও ছুটে আসেন। ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ।

আহত তিনজনকে প্রথমে আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু আঘাত গুরুতর হওয়ায়, প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তাঁরা চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, হারু লাল ঘোষের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী বৈশাখীর দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিবাদ চলছিল। তাঁদের মধ্যে ডিভোর্সের প্রক্রিয়া নিয়েও কথা চলছিল বলে জানা গিয়েছে। সম্ভবত সেই সংক্রান্ত কোনও আইনি কাজ বা আলোচনার জন্যই বৈশাখী তাঁর মাকে নিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সেই আক্রোশ থেকেই হারু লাল এই ভয়াবহ হামলা চালিয়েছেন। তবে এই ঘটনার পিছনে পারিবারিক বিবাদ ছাড়া অন্য কোনও পুরোনো শত্রুতা বা কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।  বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত হারু লাল ঘোষকে আটক করেছে। হামলায় ব্যবহৃত ধারাল অস্ত্রটিও উদ্ধার করেছে। 

Follow Us