AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR in Bengal: কাজের মাঝেই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত বিএলও, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি কলকাতার হাসপাতালে

BLO: স্থানীয় গৌরীপুর এলাকার একটি স্কুলের শিক্ষক হিসাবে কাজ করলেও মাহবুব বর্তমানে মথুরাপুর-২ ব্লকের ১১০ নম্বর বুথের বিএলও হিসেবে কাজ করছিলেন। পরিবার সদস্যরা বলছেন, এসআইআর-র কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রবল মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন তিনি।

SIR in Bengal: কাজের মাঝেই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত বিএলও, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি কলকাতার হাসপাতালে
উদ্বেগে গোটা পরিবার Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 18, 2026 | 2:55 PM
Share

রায়দিঘি: বিগত কয়েকদিনে একের পর বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলেও হয়েছে জলঘোলা। এরইমধ্যে SIR-এর কাজের চাপে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত আরও BLO। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হাসপাতালে। ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন রায়দিঘির মথুরাপুর-২ নম্বর ব্লকের চাঁদপাশা এলাকার বাসিন্দা মাহবুব রহমান মোল্লা (৫২)। তাঁর এই অবস্থার জন্য নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত কাজের চাপকেই দায়ী করছে পরিবার। রাজনৈতিক মহলেও নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা। 

স্থানীয় গৌরীপুর এলাকার একটি স্কুলের শিক্ষক হিসাবে কাজ করলেও মাহবুব বর্তমানে মথুরাপুর-২ ব্লকের ১১০ নম্বর বুথের বিএলও হিসেবে কাজ করছিলেন। পরিবার সদস্যরা বলছেন, এসআইআর-র কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রবল মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর তাঁর বুথের অনেক ভোটারের নামে শুনানির নোটিস আসে। আরও চাপ বাড়ে বিএলও-র। তা সামলাতে গিয়েই কার্যত তিনি নাকানি-চোবানি খাচ্ছিলেন তিনি। 

শনিবার আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত তাঁকে ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে কলকাতায় স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন। বর্তমানে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন।

১১০ নম্বর বুথের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য জাহারুল মোল্লাও ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলছেন, “কমিশন যে পরিস্থিতি তৈরি করেছে তাতেই এই অবস্থা। বিএলও হিসাবে বারবার মানুষের কাছে যেতে হচ্ছিল। উনি ভালই কাজ করছিলেন। কিন্তু চাপ ক্রমেই বাড়ছিল। ওনার সঙ্গে কথা বলতে গিয়েও আমরা বুঝতে পারি। চাপের কারণে উনি মানসিকভাবে বিপর্যস্তও হয়ে পড়েন। ব্রেনে চাপ পড়তে থাকে। উল্টো-পাল্টা কথা বলে ফেলছিলেন। পরশু তো আচনকা প্রেশার বেড়ে গিয়েছিল। প্রথমে মথুরাপুর তারপর ডায়মন্ড হারবারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকেই কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। এখনও পরিস্থিতি বেশ সঙ্কটজনক।”