TMC Campaign: প্রচারে বেরিয়ে ভোটারের কাছে প্রত্যাখ্যাত TMC প্রার্থী? ভিডিয়ো দেখিয়ে পাল্টা প্রচার বিজেপির
TMC Candidate's Campaign in Kaliaganj: জেলা বিজেপির ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ওই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, কালিয়াগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী নিতাই বৈশ্য কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করছেন। সেই সময় এক স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে হাত মেলাতে গেলে তিনি প্রকাশ্যে তা প্রত্যাখ্যান করেন। শুধু তাই নয়, ওই ব্যক্তি তৃণমূল প্রার্থীর উদ্দেশ্যে কুরুচিকর মন্তব্যও করেন বলে ভিডিয়োতে দাবি করা হয়েছে।

দেবব্রত বিশ্বাস: প্রচারে গিয়ে ‘প্রত্যাখ্যাত’ তৃণমূল প্রার্থী? ভিডিয়ো ঘিরে কালিয়াগঞ্জে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ বিধানসভায় নির্বাচনী প্রচারকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নিতাই বৈশ্যের প্রচারের একটি ভিডিয়ো সামনে এনে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
জেলা বিজেপির ফেসবুক পেজে পোস্ট করা ওই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, কালিয়াগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী নিতাই বৈশ্য কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচার করছেন। সেই সময় এক স্থানীয় বাসিন্দার সঙ্গে হাত মেলাতে গেলে তিনি প্রকাশ্যে তা প্রত্যাখ্যান করেন। শুধু তাই নয়, ওই ব্যক্তি তৃণমূল প্রার্থীর উদ্দেশ্যে কুরুচিকর মন্তব্যও করেন বলে ভিডিয়োতে দাবি করা হয়েছে।
এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে বিজেপি জেলা সভাপতি নিমাই কবিরাজ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “এই ঘটনাই প্রমাণ করে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান অবস্থা কী। সাধারণ মানুষ তাদের প্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করছে। শুধু কালিয়াগঞ্জ নয়, সর্বত্র একই চিত্র। তৃণমূলের বিসর্জন এখন সময়ের অপেক্ষা।”
অন্যদিকে, অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী নিতাই বৈশ্য। তাঁর দাবি, ঘটনাটির পিছনে ব্যক্তিগত ক্ষোভ কাজ করেছে। তিনি বলেন, “ওই নাগরিকের বাড়ির পাশে একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছিল, যা কিছুটা তার দখলকৃত জমির উপর দিয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বহু মানুষের স্বার্থে কাজ করতে গেলে একজন-দু’জন অসন্তুষ্ট থাকতেই পারে। এটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই।”
তবে বিজেপির তরফে ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করার পর বিষয়টি যে নতুন মাত্রা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়াবে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এখন দেখার, এই বিতর্কের প্রভাব ভোটের ফলাফলে কতটা পড়ে।
