Colombia Earthquake: ভয়াবহ ভূমিকম্প! তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল একের পর এক বাড়ি, মৃত্যু ১১১ জনের
Columbia Earthquake Death Toll: ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কলম্বিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর এবং পানামাতেও অনুভূত হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার। তবে, ভূমিকম্পের পর কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

বগোটা: ভয়াবহ ভূমিকম্প কলম্বিয়ায় (Colombia Earthquake)। সোমবার সকালে শক্তিশালী ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে ওঠে কলম্বিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। পশ্চিম কলম্বিয়ায় রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৪। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের তীব্রতায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে বাড়ি। ভূমিকম্পের জেরে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১১১ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত প্রায় ৮৭ জন। ভেঙে গিয়েছে ৬১টিরও বেশি বাড়ি। তবে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পাবে বলে খবর। বাড়ি ভেঙে পড়ায় ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
ভূমিকম্পের উৎসস্থল কোথায়?
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে, ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার দুপুরের দিকে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে, কলোম্বিয়ার স্থানীয় সময় ছিল সকাল ৭টা ৩৪ মিনিট। জানা গিয়েছে, চকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমারের প্রায় ৫ কিলোমিটার পূর্বে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের উৎস।
ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কলম্বিয়ার অনেকটা এলাকাজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়। ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর এবং পানামাতেও অনুভূত হয়েছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার। তবে, ভূমিকম্পের পর কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
ধসে পড়েছে একাধিক বাড়ি
ভূমিকম্পের জেরে বহু ঘর বাড়ি ভেঙে পড়েছে। ঘটনার পরই জোরকদমে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করার কাজ চলছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়ল এসপ্রিয়েলার সরকার।
বন্ধ একাধিক বিমানবন্দর, বাতিল ক্লাস
ভূমিকম্পের জেরে কলম্বিয়ার পাঁচটি বিমানবন্দরে নিয়মিত যাত্রী পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। পেরেইরা, মানিজালেস, আর্মেনিয়া, কার্তাগো এবং বুয়েনাভেনতুরা বিমানবন্দর আপাতত শুধুমাত্র চিকিৎসা ও সরকারি উড়ানের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। বিমানবন্দরগুলির পরিকাঠামোয় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও বন্ধ রাখা হয়েছে।
