US Tariff: ৫০-এ শান্তি নেই, ভারতের উপরে এবার ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপাবে আমেরিকা?
US Tariff on India: যদি এই বিল পাশ হয়, তবে ট্রাম্পের হাতে অপরিসীম ক্ষমতা চলে আসবে। ভারত, চিন ও ব্রাজিলের উপর নিষেধাজ্ঞা বা চড়া শুল্ক চাপাতে পারবে। এই সবই করবেন যাতে রাশিয়ার কাছ থেকে এতদিন কম দামে তেল কিনছিল ভারত সহ অন্যান্য দেশ, তারা যাতে আর তেল না কেনে।

ওয়াশিংটন: ৫০ শতাংশে মন ভরছে না, ভারতের উপরে ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপাবেন ট্রাম্প? রাশিয়ার কাছ থেকে জেনে বুঝেও তেল কেনার জন্য শাস্তি দিতেই নাকি এই পরিকল্পনা। বাইপার্টিশান স্যাংশন বিল নামক একটি বিল আনার পরিকল্পনা। ইতিমধ্য়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বিলে সবুজ সঙ্কেতও দিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহেই ভারত ও চিনের উপরে ৫০০ শতাংশ শুল্ক চাপাতে পারে আমেরিকা।
রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছেন যে বাইপার্টিশান স্যাংশন বিলে সম্মতি দিয়েছেন। এই বিলে বলা হয়েছে, যারা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল ও ইউরেনিয়াম কিনছে, তাদের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে। আগামী সপ্তাহেই এই বিল নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।
After a very productive meeting today with President Trump on a variety of issues, he greenlit the bipartisan Russia sanctions bill that I have been working on for months with Senator Blumenthal and many others.
This will be well-timed, as Ukraine is making concessions for peace…
— Lindsey Graham (@LindseyGrahamSC) January 7, 2026
যদি এই বিল পাশ হয়, তবে ট্রাম্পের হাতে অপরিসীম ক্ষমতা চলে আসবে। ভারত, চিন ও ব্রাজিলের উপর নিষেধাজ্ঞা বা চড়া শুল্ক চাপাতে পারবে। এই সবই করবেন যাতে রাশিয়ার কাছ থেকে এতদিন কম দামে তেল কিনছিল ভারত সহ অন্যান্য দেশ, তারা যাতে আর তেল না কেনে।
মার্কিন সেনেটর বলেছেন, “এটা সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত হবে, কারণ ইউক্রেন শান্তির জন্য প্রচেষ্টা করছে আর পুতিন শুধু মুখেই কথা বলছে, নিরাপরাধদের হত্যা করছে। এই বিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সেই সমস্ত দেশকে শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা দেবে যারা রাশিয়ার কাছ থেকে সস্তায় তেল কিনছে, যা পুতিনকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সাহায্য করছে।”
এই বিলের ক্ষমতায় আমেরিকা মস্কোয় আর কোনও এনার্জি প্রোডাক্ট রফতানি করবে না। রাশিয়ার শক্তিতে বিনিয়োগও বন্ধ করে দেবে।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে সবথেকে বেশি পরিমাণ তেল কেনে চিন। তারপরই রয়েছে ভারত। সম্প্রতিই ট্রাম্প ভারতের উপরে অতিরিক্ত শুল্ক বসানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এর আগেই ভারতের উপরে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, চিনের পণ্যের উপরেও ১৪৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। চিনও ছেড়ে কথা বলার পাত্র নয়, তারাও আমেরিকার পণ্যে ১২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে।
