Sheikh Hasina: ‘এছাড়া কোনও উপায় ছিল না…’, কার বিমানে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন হাসিনা?
Sheikh Hasina extradition: বাংলাদেশের ঢাকায় 'বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬' শীর্ষক একটি আলোচনাসভায় ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী বলেন যে আইনি প্রক্রিয়া মেনেই শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ করা হবে। তবে এখনই হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর নির্দিষ্ট সময় জানানো সম্ভব নয়।

ঢাকা: ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। তাঁর প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। হাসিনাকে ফেরত পাঠানো হবে কি না, তা নিয়েই যখন কূটনৈতিক টানাপোড়েন তুঙ্গে, সেই সময়ই হাসিনার ভারতে আশ্রয় নেওয়া এবং বাংলাদেশে ফেরা নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী (Dinesh Trivedi)। তিনি স্পষ্ট করে দিলেন ভারতের অবস্থান।
বাংলাদেশের ঢাকায় ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’ শীর্ষক একটি আলোচনাসভায় ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী বলেন যে আইনি প্রক্রিয়া মেনেই শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ করা হবে। তবে এখনই হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর নির্দিষ্ট সময় জানানো সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে আসবেন কি না, তা নিয়ে যখন সংশয়, সেই মুহূর্তেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন দীনেশ ত্রিবেদী।
বাংলাদেশ যখন ছাত্র-গণ আন্দোলনের আগুনে জ্বলছিল, সেই সময় দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আসেন শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের দিন ঢাকা থেকে পালিয়ে হিন্দোন এয়ারবেসে নামেন হাসিনা। তারপর থেকে অজ্ঞাতবাসে রয়েছেন তিনি।
কেন হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছিল ভারত?
হাসিনার ভারতে আসার প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন যে প্রতিবেশী দেশ হিসাবে মানবিকতা ও শেখ হাসিনার নিরাপত্তার স্বার্থে ভারতকে হাসিনার বিমান ভারতে অবতরণ করাতে দিতেই হয়েছিল। ভারতের কাছে এছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না।
বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনা যখন ভারতে এসেছিলেন, তখন ভারতের তরফে কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। ভারতীয় বায়ুসেনা বা সেনাবাহিনী নয়, বরং বাংলাদেশের সামরিক বিমানেই ভারতে এসেছিলেন হাসিনা, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন ভারতের রাষ্ট্রদূত।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “আমাদের কাছে কোনও চয়েস ছিল না। প্রতিবেশী হিসাবে আমাদের দায়িত্ব জীবনের বাস্তবতা গ্রহণ করা। কারণ এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য কেউ প্রস্তুত থাকে না।”
বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে হাসিনাকে?
২০২৪ সালের অগস্ট মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ভারতেই রয়েছেন শেখ হাসিনা। সম্প্রতি তিনি নিজেই একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্য়ে তিনি বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান। ভারতের তরফে তার আগেই হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করা হবে কি না, সে প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “এই বিষয়ে আদালতও জড়িয়ে রয়েছে, তাই কেউ নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে পারে না। বাংলাদেশের প্রত্যর্পণের আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
