SIR in Bengal: নির্দেশ না মানলে বিএলও-দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ, জানিয়ে দিল কমিশন
ECI on Hearing: অভিযোগ পেয়েই কমিশন জানিয়ে দিল, ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক ভোটার, সন্তানসম্ভবা এবং গুরুতর অসুস্থ কাউকে যদি শুনানিকেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা হয়, তাহলে বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপরে উল্লিখিতদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে কবে শুনানি হবে, তাও জানিয়ে দিল কমিশন। শুনানি পর্বের শেষ সপ্তাহে ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক, সন্তানসম্ভবা, গুরুতর অসুস্থ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি হবে বলে কমিশন জানাল।

কলকাতা: কাদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে শুনানি হবে, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু, কমিশনের সেই নির্দেশ মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে। সেই অভিযোগ পেয়েই নড়েচড়ে বসল কমিশন। কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়ে দিল, নির্দেশ না মানলে বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড যাতে শুনানির ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেজন্য কমিশনের কাছে সুপারিশ করবে তারা।
গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে এসআইআর-র হিয়ারিং শুরু হয়েছে। শুনানিকেন্দ্রে বয়স্ক, অসুস্থদের আসা নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। এরপরই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, সন্তানসম্ভবা এবং যাঁদের বয়স ৮৫ বছরের বেশি, তাঁদের শুনানিকেন্দ্রে আসতে হবে না। এবং বিশেষভাবে সক্ষমদেরও শুনানিকেন্দ্রের আসার প্রয়োজন নেই। তাঁদের বাড়িতে গিয়ে হিয়ারিং হবে। তবে ৮৫ বছরের কম ভোটারদের হিয়ারিংয়ে আসতে হবে বলে কমিশন জানায়।
কমিশনের এই নির্দেশ পরও অভিযোগ ওঠে, কমিশনের নির্দেশ মানা হচ্ছে না। অসুস্থ, বয়স্কদের শুনানিকেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা হচ্ছে। আর এই অভিযোগ পেয়েই কমিশন জানিয়ে দিল, ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক ভোটার, সন্তানসম্ভবা এবং গুরুতর অসুস্থ কাউকে যদি শুনানিকেন্দ্রে আসতে বাধ্য করা হয়, তাহলে বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপরে উল্লিখিতদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে কবে শুনানি হবে, তাও জানিয়ে দিল কমিশন। শুনানি পর্বের শেষ সপ্তাহে ৮৫ বছরের বেশি বয়স্ক, সন্তানসম্ভবা, গুরুতর অসুস্থ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি হবে বলে কমিশন জানাল।
এদিকে, শুনানির সময় যেসব নথি চাওয়া হচ্ছে, তার বাইরে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে যাতে নথি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তার জন্য কমিশনকে সুপারিশ করা হবে বলে সিইও দফতর জানিয়েছে। দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির চা বাগানগুলির শ্রমিকদের নাম যাতে কোনও নথির অভাবে এসআইআর তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিয়েও পদক্ষেপ করল কমিশন। প্রায় ২০০ বছর ধরে বংশ পরম্পরায় অনেক শ্রমিক কাজ করেন। চা বাগানগুলিতে মজুরি ও পিএফ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য রয়েছে। টি প্ল্যান্টেশন লেবার অ্যাক্ট অনুযায়ী তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
