Hooghly: ‘সময় দিতে পারছি না’, পদ থেকেই সরে দাঁড়ালেন তৃণমূল নেতা, জোর বিতর্ক বলাগড়ে
Hooghly TMC: বলাগড় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কোর কমিটির সদস্য সঞ্জয় রায় বলেন, "দেবাশিস সরকার দলের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য দল বড় হয়েছে নীতি আদর্শ নিয়ে কোন সমস্যা থাকতেও পারে তিনি দলের অভ্যন্তরে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। এই ভাবে সমাজ মাধ্যমে পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে দেওয়ার অনেক আপনার জবাব দিতে হচ্ছে আমাদের। আমরা ব্লক নেতৃত্ব এবং জেলা নেতৃত্ব বিষয়টা দেখছে।"

হুগলি: বিধানসভা ভোটে মুখে দলের পদ ছাড়লেন তৃনমূল নেতা! কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা। বলাগড় ব্লকের জিরাট অঞ্চলের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে জেলা সভাপতি কে চিঠি দিলেন দেবাশিস সরকার। তিনি জিরাট গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তার পঞ্চায়েত প্রধান হওয়া নিয়ে গুঞ্জন ছিল। কিন্তু তার জায়গায় প্রধান করা হয় তপন দাসকে। কয়েক মাস আগে তপন দাস প্রয়াত হন। এক মাস আগে দেবাশিস সরকারকে অঞ্চল সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর ঠিক বিধানসভা নির্বাচনের আগেই হঠাৎ করে তার এই ইস্তফা পত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই এলাকায় গুঞ্জন ছড়ায় তার পদ ছাড়া নিয়ে।
দেবাশিস সরকার ইস্তফাপত্রে লেখেন জেলা সভাপতি অরিন্দম গুইন ও অসীমা পাত্রের অনুরোধেই তিনি সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন, কিন্তু তাঁর পক্ষে এই মুহূর্তে সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই তিনি পথ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।
এ বিষয়ে বলাগড় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কোর কমিটির সদস্য সঞ্জয় রায় বলেন, “দেবাশিস সরকার দলের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য দল বড় হয়েছে নীতি আদর্শ নিয়ে কোন সমস্যা থাকতেও পারে তিনি দলের অভ্যন্তরে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। এই ভাবে সমাজ মাধ্যমে পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে দেওয়ার অনেক আপনার জবাব দিতে হচ্ছে আমাদের। আমরা ব্লক নেতৃত্ব এবং জেলা নেতৃত্ব বিষয়টা দেখছে।”
বলাগড়ে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। জেলা সব ব্লক কমিটি তৈরি করে দিলেও বলাগড় ব্লকে কোন সভাপতি নেই বদলে কোর কমিটি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে দলের তরফ থেকে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মনোরঞ্জন ব্যাপারীকে টিকিট দিয়েছিল। তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। বহিরাগত মনোরঞ্জন ব্যাপারীর নিয়োগ দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছিল।
এবার বিধানসভায় হুগলি জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধারাকে টিকিট দিয়েছে দল। রঞ্জন বলাগড়ের বাসিন্দা নন, তিনিও বহিরাগত। তবে দলের কর্মীদের নিয়ে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। গত লোকসভা নির্বাচনে পিছিয়ে থাকা বলাগড়কে পুনরুদ্ধার করার জন্য।
