AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

স্যান্ডি সাহার রোজগার কত?

গত কয়েক বছরে বাঙালি নেটিজেনদের কাছে স্যান্ডি সাহা মানেই একরাশ বিনোদন আর একগুচ্ছ বিতর্ক। তবে এই নিছক বিনোদনের অন্তরালে লুকিয়ে রয়েছে এক সফল ব্যবসায়িক মস্তিষ্ক। ইউটিউব, ফেসবুক এবং ছোট পর্দার পরিচিত মুখ স্যান্ডির বর্তমান আর্থিক প্রতিপত্তি এবং জীবনযাপন কিন্তু নজর কাড়ার মতো।

স্যান্ডি সাহার রোজগার কত?
| Updated on: Jan 07, 2026 | 4:29 PM
Share

‘কাদা কাদা’ ভিডিও থেকে শুরু করে মহাকুম্ভে নাইটি পরে স্নান, কখনও ফুকেতের সমুদ্রের ধারে, কখনও থাইল্যান্ডের চিড়িয়াখানায়, লন্ডন ব্রিজ থেকে চিনের পাঁচিল। গত কয়েক বছরে বাঙালি নেটিজেনদের কাছে স্যান্ডি সাহা মানেই একরাশ বিনোদন আর একগুচ্ছ বিতর্ক। তবে এই নিছক বিনোদনের অন্তরালে লুকিয়ে রয়েছে এক সফল ব্যবসায়িক মস্তিষ্ক। ইউটিউব, ফেসবুক এবং ছোট পর্দার পরিচিত মুখ স্যান্ডির বর্তমান আর্থিক প্রতিপত্তি এবং জীবনযাপন কিন্তু নজর কাড়ার মতো।

স্যান্ডি সাহার আয়ের প্রধান উৎস তাঁর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো। ইউটিউবে তাঁর কয়েক লক্ষ সাবস্ক্রাইবার এবং ফেসবুকে কয়েক মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে। ইউটিউব ও ফেসবুকের বিজ্ঞাপন থেকে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেন তিনি। নামী-দামী ব্র্যান্ডের প্রচার ও কোলাবরেশনের জন্য তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন।

বেশ কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের এক ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে স্য়ান্ডি সাহা জানালেন, সোশাল মিডিয়া থেকে কত টাকা রোজগার করেন তিনি। এই সাক্ষাৎকারে স্যান্ডি স্পষ্টভাবে কিছু না জানালেও, তিনি বলেন, সোশাল মিডিয়া থেকে কখনও দেড় লাখ, কখনও আট লাখ। বহুদিন আগে হত যখন ফেসবুক চারটে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের দাম। এই মুহূর্তে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের দাম শুরু হচ্ছে ১ লাখ ৪৯ হাজার টাকা থেকে।

‘এমটিভি রোডিজ’ (MTV Roadies) থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাংলা ধারাবাহিকে (যেমন: ‘বসন্ত বিলাপ মেসবাড়ি’) অভিনয় এবং সঞ্চালনার কাজ তাঁর আয়ের ঝুলি আরও বড় করেছে।

জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বিতর্ক স্যান্ডির নিত্যসঙ্গী। কখনও রাস্তার মাঝখানে নাচ করে আইনি নোটিশ পাওয়া, আবার কখনও পোশাকি রুচি নিয়ে সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ— সব কিছুকেই তিনি নিজের জনপ্রিয়তার রসদ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। সমালোচকদের মতে, স্যান্ডি সাহা জানেন কীভাবে ‘নেগেটিভ পাবলিসিটি’কেও আয়ে রূপান্তর করতে হয়।

এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসে আজ বাংলার অন্যতম শীর্ষ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে নিজের জায়গা পাকা করে নিয়েছেন তিনি। তাঁর এই বিশাল সম্পত্তি বা জীবনযাপন যে কঠোর পরিশ্রম এবং ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশলের ফসল, তা নিয়ে দ্বিমত নেই বিশেষজ্ঞদের।