AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ভাঙা পাঁজর আর অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে শ্যুটিং! তা সত্ত্বেও কেন ‘অলস’ বলা হয়েছিল সলমনকে?

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে মুরুগাডোস দাবি করেছিলেন যে, সলমন খান রাত ৮টার আগে সেটে আসতেন না। দিনের শট নাকি রাতে নিতে হত তাঁর জন্য। কিন্তু এই অভিযোগ মানতে নারাজ যতীন সার্না। এক সাক্ষাৎকারে যতীন জানান, তিনি যখনই সেটে গিয়েছেন, সলমনকে তাঁর কল-টাইমের আগেই উপস্থিত থাকতে দেখেছেন। যতীনের কথায়, "শেঠ (সলমন) সবসময় সময়ের আগে আসতেন। তিনি কাজ নিয়ে কোনও ফাঁকি দেননি।"

ভাঙা পাঁজর আর অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে শ্যুটিং! তা সত্ত্বেও কেন 'অলস' বলা হয়েছিল সলমনকে?
| Updated on: Mar 10, 2026 | 5:50 PM
Share

২০২৪-এর ব্লকবাস্টার হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল সলমন খানের ‘সিকান্দার’। ছবি ফ্লপ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে কাদা ছোড়াছুড়ি। দক্ষিণী পরিচালক এ আর মুরুগাডোস সরাসরি আঙুল তুলেছিলেন ভাইজানের দিকে। তাঁর দাবি ছিল, সলমনের অপেশাদারিত্ব আর দেরি করে সেটে আসার কারণেই ছবিটির এই বেহাল দশা। কিন্তু এবার পরিচালকের সেই বিস্ফোরক দাবির পালটা জবাব দিলেন ছবিরই অন্যতম অভিনেতা যতীন সার্না। ‘সিকান্দার’-এ যিনি একজন ট্যাক্সি ড্রাইভারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, তিনি সাফ জানালেন—সেটে সলমন মোটেও অলস ছিলেন না, বরং ভাঙা পাঁজর নিয়ে কাজ চালিয়ে গিয়েছেন তিনি।

মুরুগাডোস বনাম সলমন: আসল ঘটনা কী?

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে মুরুগাডোস দাবি করেছিলেন যে, সলমন খান রাত ৮টার আগে সেটে আসতেন না। দিনের শট নাকি রাতে নিতে হত তাঁর জন্য। কিন্তু এই অভিযোগ মানতে নারাজ যতীন সার্না। এক সাক্ষাৎকারে যতীন জানান, তিনি যখনই সেটে গিয়েছেন, সলমনকে তাঁর কল-টাইমের আগেই উপস্থিত থাকতে দেখেছেন। যতীনের কথায়, “শেঠ (সলমন) সবসময় সময়ের আগে আসতেন। তিনি কাজ নিয়ে কোনও ফাঁকি দেননি।”

ভাঙা পাঁজর আর অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে শ্যুটিং

যতীন জানান, শ্যুটিং চলাকালীন সলমনের পাঁজরের হাড় ভেঙে গিয়েছিল, ছিল কাঁধের চোটও। তা সত্ত্বেও অ্যাকশন দৃশ্যে কোনো খামতি রাখেননি ভাইজান। যতীন বলেন, “অল্প জায়গার মধ্যে ট্যাক্সিতে ওঠা-নামা করা ওই অবস্থায় খুব কঠিন ছিল। কিন্তু উনি সাইক্লিং থেকে শুরু করে নাচে-গানে সবটাতেই জান লড়িয়ে দিয়েছিলেন।”

শুধু তাই নয়, সেই সময় সলমন ‘বিগ বস ১৮’-র সঞ্চালনার দায়িত্বও সামলাচ্ছিলেন। সপ্তাহের শেষে বিগ বসের কাজ সেরে ক্লান্ত শরীরেও তিনি সেটে ফিরতেন। যতীনের মতে, একজন মানুষ যতটা পরিশ্রম করতে পারেন, সলমন তার চেয়ে বেশিই করেছিলেন।

কেন ফ্লপ হলো ‘সিকান্দার’?

ছবির ব্যর্থতা নিয়ে যতীন অবশ্য কাউকে দোষারোপ করতে চাননি। ২০০ কোটি বাজেটের এই ছবি বিশ্বজুড়ে মাত্র ১৮৪.৮৯ কোটি টাকা আয় করতে পেরেছে। মুরুগাডোস এটিকে ব্যক্তিগত ব্যর্থতা হিসেবে দেখলেও যতীন মনে করেন, গল্পটা দারুণ ছিল এবং টিমের প্রত্যেকেই মন দিয়ে কাজ করেছিলেন। তাঁর পরিচিত অনেকেই ছবিটি পছন্দ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

Follow Us