AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ভাইফোঁটা দিতাম ফোনে…’, প্রিয় রাহুলদাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ পায়েল

অভিনেতার যত্নশীল এবং অমায়িক ব্যবহারই আজ বারবার মনে পড়ছে পায়েলের। প্রিয় দাদাকে হারিয়ে তিনি আজ দিশেহারা। একইভাবে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী অনামিকা চক্রবর্তীও। অভিনেতার প্রয়াণে কার্যত কথা হারিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী টিভি৯ বাংলাকে জানিয়েছেন "রাহুলদার সঙ্গে দুটো কাজ করেছি। আই থিঙ্ক হি ইজ ওয়ান অফ দ্য ফাইনেস্ট পিপল দ্যাট আই হ্যাভ ফাউন্ড। খুব কেয়ারিং একজন মানুষ ছিলেন।"

ভাইফোঁটা দিতাম ফোনে...', প্রিয় রাহুলদাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ পায়েল
| Updated on: Mar 29, 2026 | 9:40 PM
Share

টেলিপাড়ার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা বিনোদন জগৎ। অভিনেতার একাধিক কাজের মধ্যে অন্যতম ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিক। যার সুবাদে তিনি দর্শকদের ড্রয়িংরুমের অতি পরিচিত নাম হয়ে উঠেছিলেন। এই ধারাবাহিকে তাঁর অভিনয় এবং সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ রসায়ন দর্শকদের বারবার মুগ্ধ করেছে। কিন্তু তাঁর এই হঠাৎ চলে যাওয়া যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। প্রিয় ‘রাহুল দা’-কে হারিয়ে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী পায়েল দে।

অভিনেতাকে  নিজের বড় দাদার মতোই শ্রদ্ধা করতেন পায়েল। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে তিনি বলেন: “রাহুল দা ইজ দ্য ওনলি পার্সন যাকে আমি ভাইফোঁটা ওভার দ্য ফোন দিতাম, রাখির শুভেচ্ছা ফোনে জানাতম। যেইদিন থেকে ওনার সঙ্গে কাজ শুরু করেছি ‘দেশের মাটি’তে—রাখির দিন ফোন করতাম, যখন ধরতে পারত না তখন ইমিডিয়েটলি হোয়াটসঅ্যাপে রিপ্লাই দিয়ে দিত। আর ভাইফোঁটার সময়ও জানতাম কাজের জন্য বাইরে থাকবে, ধরতে পারবে না। তাই আমি ভয়েস টেক্সট পাঠাতাম আর ইমিডিয়েটলি ভয়েস টেক্সটের রিপ্লাই আসত। এটাই হচ্ছে আমার কাছে রাহুল দা।” অভিনেতার যত্নশীল এবং অমায়িক ব্যবহারই আজ বারবার মনে পড়ছে পায়েলের। প্রিয় দাদাকে হারিয়ে তিনি আজ দিশেহারা।

একইভাবে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী অনামিকা চক্রবর্তীও। অভিনেতার প্রয়াণে কার্যত কথা হারিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী টিভি৯ বাংলাকে জানিয়েছেন “রাহুলদার সঙ্গে দুটো কাজ করেছি। আই থিঙ্ক হি ইজ ওয়ান অফ দ্য ফাইনেস্ট পিপল দ্যাট আই হ্যাভ ফাউন্ড। খুব কেয়ারিং একজন মানুষ ছিলেন। ইন্টেলেকচুয়াল স্টিমুলেশন খুব ছিল ওনার মধ্যে। এটা আমার কাছে খুব বড় শক। জাস্ট কিছুদিন আগেই কথা হয়েছিল ওনার সঙ্গে। আই ডোন্ট নো, আই অ্যাম জাস্ট আউট অফ ওয়ার্ডস। জীবনটা বড্ড আনপ্রেডিক্টেবল।”

Follow Us