
দৈনিক সংক্রমণে নতুন রেকর্ড গড়ল দেশ। পাশাপাশি দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুতে রেকর্ড গড়েছে রাজধানীও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লক্ষ ১ হাজার ৯৯৩ জন। যা এখনও অবধি একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনেই মৃত্যু হয়েছে ৩৫২৩ জনের। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৬৯-এ। এরমধ্যে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০৬ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লক্ষ ১১ হাজার ৮৩৫ জনের। বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০। এই পরিস্থিতিতে আরও ৭ দিন লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। করোনা সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট দেখে নিন একনজরে-
রাজধানী যেন মৃত্যুপুরী। একটার পর একটা দিন যাচ্ছে, আর দিল্লিতে মৃতের সংখ্যা রোজই রেকর্ড ভাঙছে। শনিবার দিল্লি সরকারের প্রকাশিত বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বহু মৃত্যু অক্সিজেনের অভাবেই হয়েছে বলে দাবি নানা মহলের। এক দিনে নতুন করে ২৫ হাজার ২১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। পজিটিভিটির হার বর্তমানে দাঁড়িয়ে ৩১.৬১ শতাংশে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৯ হাজার ৭৮০ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।
দিল্লিতে আরও ১ সপ্তাহ বাড়ল লকডাউন। টুইট করে এ কথা জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল।
সূত্রের খবর দিল্লিতে আরও ৭ দিন বাড়তে পারে লকডাউন। জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল এই ঘোষণা করতে পারেন আগামিকাল।
করোনা সংক্রমণ রুখতে শনি ও রবিবার করোনা কার্ফু জারি করেছে কেরল সরকার। সকাল হতেই তার সাড়া মিলল। বন্ধ রয়েছে সমস্ত দোকানপাট, যানবাহনের সংখ্যাও নিয়ন্ত্রিত। কেবল মাত্র জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
আজ থেকে শুরু হচ্ছে ১৮ উর্ধ্বদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া। তবে মুম্বইয়ের বিকেসি জাম্বো সেন্টারে টিকা নিতে এসে ফিরে যেতে হল অনেককেই। কেউ সময়ের আগেই চলে এসেছেন, কাউকে আবার বলা হয়েছে টিকা দেওয়া হবে না।
দিল্লির করোনা সঙ্কটের সুযোগেই বিক্রি করা হচ্ছি্ল নকল রেমডিসিভির, তাও আবার ৩৫ হাজার টাকায়। গতকাল দিল্লি পুলিশ দুই যুবককে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে ১৭ শিশি নকল রেমডিসিভির উদ্ধার করা হয়েছে।
আট দিনেই কোভিড-১৯ পজিটিভ। তবু এমন ভয় দেখিয়েছে করোনাকে (COVID-19), বাপ বাপ বলে পালিয়েছে ‘দুষ্টু’ ভাইরাস। করোনাকে হারিয়ে যুদ্ধ জিতে বাড়ি ফিরেছে একরত্তি। অনেক খারাপের মধ্যেও মন ভাল করে দেওয়া খবরটি উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের।
বিস্তারিত পড়ুন: মন ভাল করা খবর! ৮ দিন বয়সে করোনার সঙ্গে ঢিসুম ঢিসুম, যুদ্ধ জিতে বাড়ি ফিরল একরত্তি
অবশেষে শেষ হল কুম্ভ মেলা। করোনা সংক্রমণের কারণে মেয়াদ চার মাস থেকে কমিয়ে এক মাস করা হয়েছিল। তবুও ভিড় কিছু কম হল না। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে যখন দেশ নাজেহাল, সেই সময়েই কুম্ভে শাহি স্নান সারলেন ৭০ লক্ষ পুণ্যার্থী।
বিস্তারিত পড়ুন: ৭০ লক্ষ দর্শনার্থী নিয়ে ‘স্বল্পমেয়াদী’ কুম্ভে ইতি, মেলা প্রাঙ্গণেই খোঁজ ২৬৪৮ করোনা আক্রান্তের
রাজ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মহারাষ্ট্রে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ লক্ষ ২ হাজার ৪৭২। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ হাজার ৮১৩-এ। রাজ্যের মৃত্যু হার ১,৫ শতাংশ হলেও কিছুটা বেড়েছে সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৬৯ হাজার ৭১০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরায় রাজ্যের সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৮৪.০৬ শতাংশে।
বিস্তারিত পড়ুন: দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ, ঠাকরে রাজ্যে একদিনেই আক্রান্ত প্রায় ৬৩ হাজার, মৃত ৮২৮
শুক্রবার রাতে সেরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়ার তরফে তিন লাখ কোভিশিল্ডের ডোজ় এসে পৌঁছয়। মধ্যরাত অবধি মোট ৩৬টি জেলায় ১০ থেকে ২০ হাজার ভ্যাকসিনের ডোজ় পাঠানো হয়। এরপরই মুম্বই পুরসভার তরফে তৃতীয় দফার টিকাকরণের ঘোষণা করা হয়। মুম্বইয়ের অতিরিক্ত মিউনিসিপ্যাল কমিশনার সুরেশ কাকানি জানান, আজ থেকে মোট পাঁচটি কেন্দ্রে টিকাকরণ চলবে। এগুলি হল নায়ার হাসপাতাল, বিকেসি জাম্বো হাসপাতাল, কুপার হাসপাতাল, সেভেন হিল হাসপাতাল ও রাজাওয়াড়ি হাসপাতাল।
বিস্তারিত পড়ুন: রাতে ৩ লাখ কোভিশিল্ডের টিকা পেয়েই মুম্বইয়ের ৫ কেন্দ্রে আজ থেকেই ১৮ উর্ধ্বদের টিকাকরণ শুরু
শুক্রবার হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়, আগামী সপ্তাহ অর্থাৎ ৪ মে থেকে ভারত থেকে আগত সমস্ত বিমানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল।
আরও পড়ুন: করোনার চোখরাঙানিতে ৪ মে থেকে ভারতের সঙ্গে উড়ান সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল আমেরিকাও
শুক্রবার মধ্যরাতে আচমকাই আগুন লাগে গুজরাটের ভারুচের একটি হাসপাতালে। ঘটনাস্থলে দমকল এসে এক ঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও বাঁচানো যায়নি ১৮ জন রোগীকে।
বিস্তারিত পড়ুন: অনর্গল বেরোচ্ছে কালো ধোঁয়া, মধ্যরাতে কোভিড হাসপাতালে বিধ্বংসী আগুনে মৃত ১৮
আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখের গণ্ডি পার করলেও বিগত কয়েকদিন ধরে আশার আলো দেখাচ্ছে সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরেছেন ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৮৮ জন। এই নিয়ে এখনও অবধি দেশে মোট ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০৬ জন করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে বাড়ি ফিরেছেন। গতকালও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন ২ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫৪০ জন।