সঠিক সময়ে চিকিৎসা, কীভাবে AI রোগীদের জীবন বাঁচাচ্ছে, বোঝালেন অ্যাপোলোর চিকিৎসক
Clinical Diagnosis & AI: ডিজিটাল হেলথ এখন চিকিৎসা ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে। এক্ষেত্রেও রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ডঃ সঙ্গীতা রেড্ডি। ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে এখন ল্যাবরেটরি অ্যানালিটিক্স সরাসরি চিকিৎসকদের ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

নয়া দিল্লি: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন নতুন নতুন রোগ যেমন দেখা দিয়েছে, তেমনই আবার উন্নত হয়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থাও। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবনী চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরি করা হচ্ছে। তবে এত কিছুর মধ্য়েও সর্বোত্তম রোগীর সুরক্ষাই। প্রযুক্তির উন্নতিতে রোগীদের সুরক্ষা কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীর কেমন সম্পর্ক হওয়া উচিত এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে নিউজ ৯-র সঙ্গে কথা বললেন অ্যাপোলো হসপিটাল এন্টারপ্রাইজের জয়েন্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডঃ সঙ্গীতা রেড্ডি।
নিউজ ৯ এবং অ্যাপোলো হসপিটালের বিশেষ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল হেলথ ডায়ালগ ২০২৬। এটি ১৩তম সংস্করণ। নিউজ ৯-র সঙ্গে আলোচনায় প্রথমেই রোগী সুরক্ষার কথা ওঠে। অ্যাপোলো হসপিটাল এন্টারপ্রাইজের জয়েন্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডঃ সঙ্গীতা রেড্ডি এ প্রসঙ্গে বলেন, “রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের কথা বলা থেকে শুরু করে টেলিমেডিসিনে পরামর্শ দেওয়া- প্রতিটি স্তরেই লিডারশিপের প্রয়োজন। সরকার থেকে হাসপাতাল, হাসপাতালের কর্মী-সকলের দায়িত্ব রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”
রোগীদের সুরক্ষা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি পরিকাঠামোর উন্নয়ন, কর্মীদের প্রশিক্ষণের উল্লেখ করেন, যা রোগী নিরাপত্তাকে আরও নিশ্চিত করেছে। এই ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উন্নয়নকে আরও জোর দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসাবে দৈনিক রাউন্ডের প্রসঙ্গও টেনে আনেন, যেখানে দৈনিক রোগীর স্বাস্থ্যের উপরে নজরদারি করা হয় এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা ব্যবস্থা বদল করা হয়।
ডিজিটাল হেলথ এখন চিকিৎসা ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে। এক্ষেত্রেও রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ডঃ সঙ্গীতা রেড্ডি। ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে এখন ল্যাবরেটরি অ্যানালিটিক্স সরাসরি চিকিৎসকদের ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ সরাসরি ল্যাব থেকে চিকিৎসকের ফোনে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে তাঁর কী কী সমস্যা হচ্ছে। এতে রোগীকে রক্ষা করা, তাঁর চিকিৎসা আরও দ্রুত করা সম্ভব হচ্ছে।
একইভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-র মাধ্যমে রোগীর চিকিৎসা করা হচ্ছে, সেই উদাহরণও দেন। কোনও রোগীকে নিয়ে এসে তার সিটি স্ক্য়ান করে রোগ বা সমস্যা জানতে যতটা সময় যায়, ততক্ষণে এআই সম্পূর্ণ অ্যানালাইসিস বা পর্যালোচনা করে নিচ্ছে এবং সেই অনুযায়ী পরামর্শ দিচ্ছে। এতে সময় অনেক বাঁচছে।
