AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

India-Pakistan Espionage: ৪০ হাজারে বিক্রি হয়ে গেল দেশপ্রেম! CCTV লাগিয়ে সেনার গতিবিধি জানাচ্ছিল পাকিস্তানে, যেভাবে ধরা পড়ল…

Pakistan spy network: ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা, ইন্টারনেট ওয়াইফাই রাউটার উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তির পাশাপাশি আরও কয়েকজন সন্দেহভাজনের নামে অপরাধমূলক এবং দেশ বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে কেস দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করা হয়েছে।  

India-Pakistan Espionage: ৪০ হাজারে বিক্রি হয়ে গেল দেশপ্রেম! CCTV লাগিয়ে সেনার গতিবিধি জানাচ্ছিল পাকিস্তানে, যেভাবে ধরা পড়ল...
সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি।Image Credit: X
| Updated on: May 22, 2026 | 11:37 AM
Share

অমৃতসর: জাতীয় সড়কের উপরে লাগানো সিসিটিভি, কিন্তু তা সরকারের নয়। বরং এক ব্যক্তি নিজেই লাগিয়েছিলেন। আর সেই সিসিটিভি ফুটেজ পাঠাতেন পাকিস্তানে (Pakistan)। গুপ্তচরবৃত্তির (Espionage) পর্দাফাঁস করল পুলিশ। পঞ্জাবের পাঠানকোট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে।

পুলিশের অভিযোগ, ওই ব্যক্তি ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাঠানকোট-জম্মু রাস্তায় সিসিটিভি লাগিয়েছিলেন। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করে তিনি পাঠাতেন পাকিস্তানে। ভারতীয় সেনা ও প্যারামিলিটারির গতিবিধির ভিডিয়ো পাঠানো হত পাক হ্যান্ডলারদের কাছে।

ধৃত ব্যক্তির নাম বলজিৎ সিং ওরফে বিট্টু। পাঠানকোটের চক দারিওয়াল গ্রামের বাসিন্দা তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সিসিটিভির সার্ভেল্যান্স ফিড বৈদ্য়ুতিন মাধ্যমে পাকিস্তান ও বিদেশে পাঠানো হত। জিজ্ঞাসাবাদের সময় বলজিৎ স্বীকার করে নিয়েছেন যে গত জানুয়ারি মাসে সুজানপুরে হাইওয়ের কাছে একটি দোকানে তিনি ইন্টারনেট ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসান। এই কাজ করার জন্য তাঁকে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। দুবাই থেকে অচেনা এক ব্যক্তি তাঁকে নানা নির্দেশ দিত বলেও জানা গিয়েছে।

ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা, ইন্টারনেট ওয়াইফাই রাউটার উদ্ধার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তির পাশাপাশি আরও কয়েকজন সন্দেহভাজনের নামে অপরাধমূলক এবং দেশ বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে কেস দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করা হয়েছে। গুপ্তচরবৃত্তির নেপথ্যে কোন নেটওয়ার্ক কাজ করছে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত মাসেও পঞ্জাব পুলিশ দুটি গুপ্তচর মডিউলের হদিশ পায়। পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স এর নেপথ্যে ছিল। তারা চিনের তৈরি হাই টেক সোলার পাওয়ারড সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করছিল। মিলিটারির গতিবিধির লাইভ ফিড সরাসরি  পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের পাঠাচ্ছিল। জলন্ধর থেকে এক অপারেটিভকে গ্রেফতার করে কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স উইং।

এরপরে কাপুরথালা পুলিশও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযানে আরেকটি মডিউলের হদিস মেলে। দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয় যা পাকিস্তানি হ্যান্ডলারের।

Follow Us