Lashkar-e-Taiba Terrorist: কলকাতাতেও লাগিয়েছিল পোস্টার, বাংলাদেশ থেকে চালাত জঙ্গি মডিউল, গ্রেফতার লস্কর জঙ্গি
Terrorist: সাব্বির আহমেদ লোন লস্কর-ই-তৈবার সন্ত্রাস মডিউলের সদস্য ছিল। এরাই দিল্লি, কলকাতা সহ একাধিক জায়গায় হামলা ও দেশ বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। সম্প্রতিই সাব্বিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা মডিউলের সদস্যদের দিল্লি ও দক্ষিণ ভারতের নানা অংশ থেকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। এবার প্রধান মাথা ধরা পড়ল।

নয়া দিল্লি: দিল্লি পুলিশের বিরাট সাফল্য। ওয়ান্টেড লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হল দিল্লির সীমানা থেকে। জানা গিয়েছে, ধৃত ওই লস্কর জঙ্গির নাম সাব্বির আহমেদ লোন। বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি আইএসআই-র নির্দেশে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চালাত। আজ দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় তাঁকে হাতেনাতে ধরে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সাব্বির আহমেদ লোন লস্কর-ই-তৈবার সন্ত্রাস মডিউলের সদস্য ছিল। এরাই দিল্লি, কলকাতা সহ একাধিক জায়গায় হামলা ও দেশ বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। সম্প্রতিই সাব্বিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা মডিউলের সদস্যদের দিল্লি ও দক্ষিণ ভারতের নানা অংশ থেকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। এবার প্রধান মাথা ধরা পড়ল।
জানা গিয়েছে, সাব্বির ওরফে রাজা জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগর জেলার কঙ্গন এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই গোয়েন্দাদের র্যাডারে ছিল সাব্বির। বাংলাদেশে বসে সম্পূর্ণ জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত সে। লস্কর-ই-তৈবার প্রশিক্ষিত জঙ্গি ছিল। পাকিস্তানের মুজাফ্ফরাবাদে দৌরা-ই-আম ও দৌরা-ই-খাস ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল।
প্রায় দুই দশক ধরে লস্করের সঙ্গে যুক্ত সাব্বির। ভারতে অশান্তি তৈরি করতে, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে বাংলাদেশিদের এবং ভারতে লুকিয়ে থাকা অনুপ্রবেশকারীদের নিয়োগ করত। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, উত্তরবঙ্গ থেকে যুবকদের নিয়ে গিয়ে ব্রেন ওয়াশ করে সংগঠন তৈরি করছিল এই কুখ্যাত কমান্ডার। ঢাকায় গোপনে লুকিয়ে থেকে লস্করের সংগঠন তৈরি করে ফেলেছিল।
দীর্ঘ দুমাস ধরে ছদ্মবেশে লুকিয়ে ছিলেন দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেলের গোয়েন্দারা। এ দিন দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল অভিযান চালিয়ে দিল্লি সীমানা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, এই কুখ্যাত কমান্ডারকে ধরতে দিল্লি পুলিশের এসিপি প্রমোদ কুশওয়া, এসিপি ললিত নেগি, ইন্সপেক্টর সুনির রাজাইনের নেতৃত্বে টিম তৈরি হয়েছিল এই কমান্ডারকে ধরার জন্য।
২০০৭ সালে স্পেশাল সেল প্রথমবার সাব্বির আহমেদকে গ্রেফতার করে। একে-৪৭ রাইফেল, গ্রেনেড সহ বিপুল অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল তাঁর কাছ থেকে। সেই সময়ে জামাত-উদ-দাওয়া প্রধান ও ২৬/১১ মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদের সঙ্গে যোগ পাওয়া গিয়েছিল। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহার জেলে বন্দি ছিল, তারপরে জামিনে মুক্তি পায়।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জামিন পাওয়ার পর বাংলাদেশে যায় সাব্বির। সেখানে লস্কর নেটওয়ার্ক তৈরি করে। পাকিস্তানি হ্যান্ডলার ও বাংলাদেশের অপারেটিভদের সঙ্গে যোগাযোগ করত।
