
চণ্ডীগড়: বহুদিন ধরেই প্রতিবেশীর সঙ্গে জমি নিয়ে বিবাদ। তবে একটা বচসা কতটা দূর যেতে পারে? ঝগড়া কিংবা খুব বেশি হলে মারামারি। কিন্তু এখানে ছবিটা অন্যরকম। জমি বিবাদের মাঝে পড়ে খুন হলেন বিজেপি নেতা।
মৃতের নাম সুরেন্দ্র জহর। তিনি হরিয়ানা সনিপতের বাসিন্দা। শুক্রবার রাতে স্থানীয় একটি দোকানের মধ্য়ে ঢুকে বিজেপি নেতাকে গুলি চালিয়ে খুন করলেন প্রতিবেশি মনু। শনিবার তার বিরুদ্ধে দায়ের হয় মামলা। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যম জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সেই গুলিকাণ্ডের একটি ভিডিয়ো। সেদিন দোকানের মধ্য়ে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় উঠেছিল গোটা ঘটনাটা। যা এখন তদন্তে পুলিশ অন্যতম প্রমাণ। আর সেই প্রমাণই আবার নেটিজেনদের কাছে হয়ে গিয়েছে কনটেন্ট।
ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তারস্বরে চিৎকার করতে করতে সেই দোকানটিতে ঢুকে পড়লেন বিজেপি নেতা। ‘আমাকে মেরে ফেলল’, বলে আর্তনাদ করছেন তিনি। আর তারপরই সেই নেতাকে তাড়া করতে করতে দোকানে ঢুকে পড়ল অভিযুক্ত। মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে চালাল গুলি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল বিজেপি নেতার।
পুলিশ সূত্রে খবর, জমি বিবাদের জেরেই মনু ও সুরেন্দ্রর মধ্যে বিবাদ। সেই বিবাদ গড়িয়ে আদালতেও গিয়ে উঠেছে। এখনও নাকি মামলাও চলছে। আর তার মাঝেই এমন কাণ্ড ঘটিয়ে বসলেন অভিযুক্ত মনু।
স্থানীয় একজনের দাবি, সুরেন্দ্র নাকি মনুর কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে একটি জমি কিনেছিলেন। কিন্তু তার মালিকানা এখনও সুরেন্দ্রর নামে হস্তান্তর করেনি মনু। সেই কারণেই সুরেন্দ্র বিতর্কিত জমি দখল নিতে উদ্যত্ত হয়। বারংবার বেড়া বসানোর চেষ্টা চালায় সে। কিন্তু মনুর হাতেই ধরা খায় বেশ কয়েকবার। বিজেপি নেতাকে হুমকিও দেয় সেই অভিযুক্ত। কিন্তু তাতেও কথা শোনেনি সুরেন্দ্র। শুক্রবারও জমি পরিষ্কারে কাজে নেমেছিলেন তিনি। তখনই সেখানে এসে পৌঁছয় মনু। তারপরই চড়ে পারদ। বিবাদ গিয়ে দাঁড়ায় হত্যায়।