Samik Bhattacharya: ‘জ্ঞানেশ কুমারকে কমপক্ষে পদ্মভূষণ দেওয়া উচিত’, মন্তব্য শমীকের
Samik on Gyanesh kumar: শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, পশ্চিমবঙ্গে যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে, তার কৃতিত্ব জ্ঞানেশ কুমারের। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, "একজন পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে বলতে পারি ভোট পূর্ববর্তী, ভোট চলাকালীন, ভোট পরবর্তী হিংসা থেকে যিনি পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচিয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পাঁচ বছর পর যে নির্বাচন দেখেছেন, যেখানে মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে, ভুয়ো ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে মানুষকে ভয়মুক্ত করে, তাঁর ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন যিনি, তিনি জ্ঞানেশ কুমার।"

কলকাতা: এসআইআর (SIR) নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আশার পরই হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে জ্ঞানেশের অপসারণের দাবি তুলে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গে ‘অবাধ ও শান্তিপূর্ণ’ নির্বাচনে জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকার কথা মনে করালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। বিজেপি সাংসদের মতে, জ্ঞানেশ কুমারের পদ্মভূষণ পাওয়া উচিত।
কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য?
শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, পশ্চিমবঙ্গে যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে, তার কৃতিত্ব জ্ঞানেশ কুমারের। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “একজন পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে বলতে পারি ভোট পূর্ববর্তী, ভোট চলাকালীন, ভোট পরবর্তী হিংসা থেকে যিনি পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচিয়েছেন এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পাঁচ বছর পর যে নির্বাচন দেখেছেন, যেখানে মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে, ভুয়ো ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে মানুষকে ভয়মুক্ত করে, তাঁর ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন যিনি, তিনি জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চেয়েছিলেন। ভোট দিতে চেয়েছিলেন। ত্রুটিমুক্ত ভোটার লিস্ট চেয়েছিলেন। সেটা যিনি করে দেখিয়েছেন তিনি জ্ঞানেশ কুমার। কমপক্ষে পদ্মভূষণ দেওয়া উচিত।”
পুরভোটে ফের ‘একলা চলো’ নীতিকে মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। শমীক বলেন, “নির্বাচন হলে বিজেপি জিতবে। আমরা বোর্ড গঠন করব। অবাধ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে।…বিজেপি তো একাই লড়বে আমি জানি। আমাদের সঙ্গে কারও কোনও সমঝোতা নেই। আমরা একার শক্তিতে নির্বাচন লড়ছি।”
জ্ঞানেশ কুমার বিতর্ক
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র একটি প্রতিবেদন জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে। তাতে বড়সড় বিতর্কের মুখে পড়েন জ্ঞানেশ কুমার। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী বারংবার আপত্তি তুলেছিলেন। লিখিতভাবে তারা ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তির কথাও জানিয়েছিলেন। এই খবর সামনে আসতেই তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
