AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SC On Kaliachak Case: মালদহের জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, কালিয়াচকের ঘটনায় CBI বা NIA তদন্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

SC On Kaliachak Case: বুধবার রাতে মালদহের কালিয়াচকের জুডিশিয়াল অফিসাররা যেভাবে হেনস্থার মুখে পড়ে, বৃহস্পতিবার সকালে গোটা বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চেই এই বিষয়টির উত্থাপন হয়। কালিয়াচকের ঘটনায় প্রশাসনের প্রতি অত্যন্ত বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট। স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপি-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

SC On Kaliachak Case: মালদহের জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, কালিয়াচকের ঘটনায় CBI বা NIA তদন্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
সুপ্রিম কোর্টে কালিয়াচক মামলাImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 02, 2026 | 12:04 PM
Share

নয়া দিল্লি: কালিয়াচকের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ সুপ্রিম কোর্টের। মালদহের জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ করল সুপ্রিম কোর্ট। আরও নজরদারির প্রয়োজন ছিল, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।বুধবার রাতে মালদহের কালিয়াচকের জুডিশিয়াল অফিসাররা যেভাবে হেনস্থার মুখে পড়ে, বৃহস্পতিবার সকালে গোটা বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চেই এই বিষয়টির উত্থাপন হয়। কালিয়াচকের ঘটনায় প্রশাসনের প্রতি অত্যন্ত বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট। স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপি-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

এদিনের মামলায় রাজ্যের তরফ থেকে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল, গোপাল শঙ্করনারায়ণকমিশনের তরফ থেকে ডিএস নাইডু। বুধবার সন্ধ্যায় কালিয়াচকে হওয়া গোটা পরিস্থিতির বর্ণনা দেন কমিশনের আইনজীবী। সওয়াল করেন এজি তুষার মেহেতা।

এরপরই প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে আমরা একটি চিঠি পেয়েছি। গত কাল রাতে আমাদের মধ্যে কয়েক জনকে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে জানানো হয় যে, মালদহ জেলার কালিয়াচক এলাকায় তিন জন মহিলা-সহ মোট সাত জন বিচারককে দুষ্কৃতীরা ঘেরাও করে রেখেছিল। এই ঘেরাও বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে শুরু হয়।”

ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনা প্রসঙ্গেই CJI-এর সংযোজন, “হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি তাঁর চিঠিতে জানান, জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার—কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়েছিল।”

পরিস্থিতি বর্ণনায় CJI বলেন, “অন্যান্য সিনিয়র বিচারপতিরা যোগাযোগ রাখছিলেন। রাত বারোটার পর তাঁরা মুক্ত হন। মুক্ত হওয়ার পর যখন তাঁরা বাড়ি যাচ্ছিলেন, তখনও তাঁদের গাড়িতে লাঠি দিয়ে মারা হয় এবং পাথর বৃষ্টি হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ করার জন্য রসায়ন প্রধান বিচারপতি ডিস্ট্রিক্ট জাজদের নির্দেশ দিয়েছেন।”

অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারির প্রয়োজন ছিল।”  গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কমিশনের ওপরই আস্থা রাখে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি বাগচী বলেন, “কমিশনকে প্রয়োজনীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।” কমিশনের উদ্দেশে আদালতের পরামর্শ, রাজ্য প্রশাসনকে এই জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ যাতে মসৃণ ভাবে হয় তা সুনিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন এই ঘটনা জুডিশিয়াল অফিসারদের উপর ব্যাপক ভয়ের প্রভাব ফেলবে। আমরা প্রধান বিচারপতির চিঠি দেখে অত্যন্ত হতাশ।”

প্রধান বিচারপতি: এর আগে নির্দেশ দিয়ে আমরা বলেছিলাম, এসআইআর প্রক্রিয়ায় আপত্তি নিষ্পত্তির দায়িত্ব বিচারকদের দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর সংযোজন,  “এই ঘটনা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার উদাহরণ। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের জানাতে হবে, কেন বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও তারা বিচারকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেননি?” পুলিশ সুপার ও জেলাশাসকের ভূমিকায় বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট। তাঁদের শোকজ করা হয়েছে।

Follow Us