‘ম্যাকলের ভাবনার বিপরীতে…’, ভারতীয় ভাষাগুলিকে নিয়ে কী বললেন ধর্মেন্দ্র প্রধান?
Dharmendra Pradhan: শিক্ষামন্ত্রী জানান, ভারত গণতন্ত্রের জন্মভূমি এবং ভাষাগত বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এক দেশ। এই দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া সমাজের দায়িত্ব। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ভাষাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবসময়ই জোর দিয়ে বলেছেন, ভারতের সব ভাষাই জাতীয় ভাষা।

নয়াদিল্লি: ভারতীয় ধ্রুপদী ভাষার উপর ৫৫টি বইয়ের উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এর মধ্যে রয়েছে সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজেস (CIIL) -র অধীনে ক্লাসিক্যাল ল্যাঙ্গুয়েজেস সেন্টার্স অব এক্সিলেন্স দ্বারা প্রস্তুত ৪১টি বই। আবার সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব ক্লাসিক্যাল তামিল (CICT) -র ১৩টি বই এবং একটি তিরুক্কুরাল সাংকেতিক ভাষার সংগ্রহ।
কন্নড়, তেলুগু, মালয়ালাম, ওড়িয়া এবং তামিল ভাষার বিশিষ্ট পণ্ডিতদের প্রাণবন্ত লেখা রয়েছে বইগুলিতে। সেইসঙ্গে তিরুক্কুরালের একটি ভারতীয় সাংকেতিক ভাষায় অনুবাদ রয়েছে। এই উদ্যোগ ভারতের ভাষাগত ঐতিহ্যকে শিক্ষা ও গবেষণার কেন্দ্রে স্থাপন করার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক গর্বকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে নেওয়া এক বৃহত্তর জাতীয় প্রচেষ্টার অংশ। মঙ্গলবার বইগুলির উদ্বোধন করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “ঔপনিবেশিক যুগের ম্যাকলের ভাবনার বিপরীতে, ভারতের সভ্যতা ভাষাগুলিকে সংলাপ এবং সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির সেতু হিসেবে দেখেছে।” প্রসঙ্গত, ভারতে ব্রিটিশ শিক্ষানীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন টমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে।
भारत की भाषायी विरासत को आगे बढ़ाने और शास्त्रीय भाषाओं को सुदृढ़ करने की दिशा में आज 55 विद्वत ग्रंथों का विमोचन राष्ट्र की बौद्धिक चेतना के लिए एक महत्वपूर्ण उपलब्धि है। कन्नड़, तेलुगु, मलयालम, ओड़िया, तमिल एवं सांकेतिक भाषा में प्रस्तुत ये कृतियाँ भारत की भाषायी विरासत को… pic.twitter.com/FDLm2liOfa
— Dharmendra Pradhan (@dpradhanbjp) January 6, 2026
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার দেশের সব ভাষাকে শক্তিশালী ও প্রচারের জন্য ব্যাপকভাবে কাজ করেছে। সরকার তফসিলি তালিকায় আরও ভাষা অন্তর্ভুক্ত করেছে, ধ্রুপদী গ্রন্থগুলিকে ভারতীয় ভাষায় অনুবাদ করেছে এবং ভারতীয় ভাষাগুলিতে শিক্ষার প্রচার করেছে। ভারতীয় ভাষাগুলিকে নির্মূল করার ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও তারা সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।”
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ভারত গণতন্ত্রের জন্মভূমি এবং ভাষাগত বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এক দেশ। এই দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া সমাজের দায়িত্ব। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ভাষাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবসময়ই জোর দিয়ে বলেছেন, ভারতের সব ভাষাই জাতীয় ভাষা।
তিনি আরও জানান, জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ ভারতীয় ভাষায় শিক্ষার প্রসারকে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং ভারত আজও ‘ঐক্যের মধ্যে বৈচিত্র্য’-র এক উজ্জ্বল উদাহরণ। যেখানে ভাষা সমাজকে সংযুক্ত করার সেতু হিসেবে কাজ করে। অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষামন্ত্রী ভারতীয় ভাষা প্রসারে অবদানের জন্য ভারতীয় ভাষা সমিতি, ধ্রুপদী ভাষার উৎকর্ষ কেন্দ্রগুলি, CIIL ও CICT-কে অভিনন্দন জানান।
