পুনর্গণনা চেয়ে এবার আদালতে জিতেন্দ্র তিওয়ারি, যদিও আবেদন ঘিরে থাকছে প্রশ্ন

Election Petition: পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারির পাশাপাশি এদিন মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই আবেদন জানান।

পুনর্গণনা চেয়ে এবার আদালতে জিতেন্দ্র তিওয়ারি, যদিও আবেদন ঘিরে থাকছে প্রশ্ন
ফাইল চিত্র।

কলকাতা: ভোটে হারের পর এবার সেই ফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ আসানসোলের বিজেপি (BJP) নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। মঙ্গলবারই ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেন তিনি। যদিও এই পিটিশন আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না তা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ থাকছে। এর আগে নন্দীগ্রাম, বনগাঁ দক্ষিণ, বলরামপুর, গোঘাট, ময়না কেন্দ্রে ভোটের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। এই প্রথম বিজেপির তরফেও সেই একই দাবি। পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারির পাশাপাশি এদিন মহিষাদল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই আবেদন জানান।

তৃণমূলে থাকার সময় পাণ্ডবেশ্বরকে জিতেন্দ্রর গড় হিসাবেই দেখা হতো। এখানকার দাপুটে নেতা তিনি। একইসঙ্গে আসানসোলের মেয়র হিসাবেও বেশ নামডাক ছিল তাঁর। কিন্তু ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগ দেন এবং নিজের কেন্দ্রে ভোটে দাঁড়িয়ে হেরে যান। তাঁকে হারিয়ে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক হন তৃণমূলের নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে সে ভাবে আর জিতেন্দ্রকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

এরইমধ্যে হঠাৎ মঙ্গলবার হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেন আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র। এই কেন্দ্রের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেন তিনি। প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে তৃণমূলের কাছে হেরেছিলেন তিনি। তবে ইলেকশন পিটিশন দাখিলের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ফল প্রকাশের ৪৫ দিনের মধ্যে তা দাখিল করতে হয়। এক্ষেত্রে সেই নিয়ম মানা হয়নি। যদিও সূত্রের খবর, অতিমারির কারণে সে নিয়মে শিথিলতা আনা হতে পারে বলেই মনে করছেন বিজেপির আইনজীবীরা। একই প্রত্যাশা থেকে এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের বিজেপি প্রার্থী বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ও আবেদন করেন। এখানে তৃণমূলের তিলক কুমার চক্রবর্তীর কাছে হেরে যান তিনি।

আরও পড়ুন: বিজেপির ‘হেভিওয়েট’ বৈঠকে অনুপস্থিত রাজীব, লিঙ্ক পাঠানো হলেও যোগ দিলেন না ভার্চুয়ালি

নন্দীগ্রামে ভোটের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই আদালতে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে পুরুলিয়া বলরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো, হুগলি গোঘাটের তৃণমূল প্রার্থী মানস মজুমদার, ময়নার তৃণমূল প্রার্থী সংগ্রাম দোলুই ও বনগাঁ দক্ষিণের আলোরানি সরকারও আদালতে ভোটের ফলকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদন জানিয়েছেন। এরপরই ৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্গণনার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আপাতত দু’টি আসনের ফলের পুনর্গণনা চেয়ে আদালতে বিজেপি।

Read Full Article

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla