AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Minakshi on Pratik Ur Rahaman: প্রতীক-উর সিপিএম ছাড়তেই মুখ খুললেন মীনাক্ষী, কোন দিকে ‘ক্যাপ্টেন’?

Minakshi Mukherjee: এ দিন, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, "আমি দেখলাম ফেসবুকে। আমাদের পার্টির নেতৃত্বরা রয়েছেন। গোটা বিষয় তাঁরা বলবেন।" দলে প্রতীক-উরের প্রয়োজনীয়তার হালকা আভাস দিয়ে তিনি বলেন, "ও আমাদের পার্টির নেতা। গোটা রাজ্যজুড়ে আমাদের পার্টির কমরেডরা লড়াই করছেন। প্রতীক-উরও লড়াই করেছেন। সব কর্মীরা দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন।"

Minakshi on Pratik Ur Rahaman: প্রতীক-উর সিপিএম ছাড়তেই মুখ খুললেন মীনাক্ষী, কোন দিকে 'ক্যাপ্টেন'?
কী বললেন মীনাক্ষীImage Credit: Facebook
| Edited By: | Updated on: Feb 16, 2026 | 6:25 PM
Share

কলকাতা: সিপিএম ছাড়তেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন প্রতীক-উর রহমান। ঠিক কোন কারণে দল ছাড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রতীক-উরের এই পদত্যাগ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সিপিএম-এর ‘ক্যাপ্টেন’ মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ঠিক পরিপক্ক একজন রাজনীতিবিদের মতোই জবাব দিলেন বাম নেত্রী।পুরো বিষয়টির দায়ভার ঠেলে দিয়েছেন সিপিএম-এর শীর্ষ নেতৃত্বের উপর। নিজে থেকে কোনও মন্তব্যই আলাদাভাবে করতে চাননি তিনি।

এ দিন, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমি দেখলাম ফেসবুকে। আমাদের পার্টির নেতৃত্বরা রয়েছেন। গোটা বিষয় তাঁরা বলবেন।” দলে প্রতীক-উরের প্রয়োজনীয়তার হালকা আভাস দিয়ে তিনি বলেন, “ও আমাদের পার্টির নেতা। গোটা রাজ্যজুড়ে আমাদের পার্টির কমরেডরা লড়াই করছেন। প্রতীক-উরও লড়াই করেছেন। সব কর্মীরা দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেন। যে কোনও একজন কর্মী পার্টির কাজ না করেন দলে থেকে, তাহলেও আমাদের ক্ষতি। আর আমাদের ক্ষতি মানে খেটে খাওয়া মানুষের ক্ষতি। সেই ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই হচ্ছে।” অর্থাৎ শুধু প্রতীক-উর নয়, সকলেই যে গুরুত্বপূর্ণ  সেটাই বুঝিয়েছেন বাম নেত্রী। মীনাক্ষী নন, বাম সমর্থিত পরিচালক সৌরভ পালধি স্পষ্টত নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, “প্রতীক উর রহমান প্রয়োজনীয়। ব্যাস আর আপাতত কিছু লিখব না।”

গত ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের সময় ডায়মন্ড-হারবার থেকে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বামেদের হয়ে লড়েছিলেন প্রতীক-উর-রহমান। সিপিএম-এর তরুণ তুর্কী অভিষেকের বিরুদ্ধে জিততে না পারলেও, মাঠে থেকে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন। ছাড়েননি এক ইঞ্চি জমিও। বর্তমানে এ রাজ্যে শূন্য সিপিএম। না আছে সাংসদ, না আছে বিধায়ক। এই অবস্থায় ভোটের ঠিক আগে আগে প্রতীক-উরের মতো একজন তরুণ মুখ চলে যাওয়া মানে দলের কত বড় ক্ষতি তা হারে-হারে বুঝেছেন সিপিএম-এর নেতা-নেত্রীরা।

মূলত, তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বামেদের জোট নিয়ে আলোচনা ভালভাবে মেনে নিতে পারেননি প্রতীক-উর। বিশ্লেষকদের ধারণা, হতে সেই কারণে দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সোমবার বলেছেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে কারও বিরোধ নেই। আমার যা বলার আমি পার্টিকে বলেছি। সর্বোচ্চ নেতৃত্বের তরফে এখনও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। এটা তো দলের আভ্যন্তরীণ বিষয় এটা আমি সবার সামনে বলব না। সময় এলে মিডিয়াকে জানাব।”