AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Education Minister: বাংলাকে ১০,০০০ কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত করেছেন মমতা, শহরে এসে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর

Dharmendra Pradhan: কলকাতায় এক দলীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে শনিবার শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের শিক্ষকহীন স্কুলের প্রায় অর্ধেক রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সেই সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, "দেশের মধ‍্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষকশূন‍্য স্কুল রয়েছে বাংলায়। দেশের ৭০ শতাংশ স্কুলে ইন্টারনেট রয়েছে আর বাংলায় মাত্র ১৬ শতাংশ স্কুলে ইন্টারনেট আছে।"

Education Minister: বাংলাকে ১০,০০০ কোটি টাকা থেকে বঞ্চিত করেছেন মমতা, শহরে এসে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
কলকাতায় ধর্মেন্দ্র প্রধানImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 14, 2026 | 3:46 PM
Share

কলকাতা: ‘বাংলায় স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থা ঠিক করতে হবে। ক্ষমতায় এলে যে কোনও ব্যবস্থা করবই’, কলকাতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকারকে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে একের পর এক তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। কেন্দ্র টাকা দিতে প্রস্তুত থাকলেও মমতাই বাংলার শিক্ষক ও ছাত্রদের বঞ্চিত করছে বলে দাবি করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “দেশের মধ‍্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষকশূন‍্য স্কুল রয়েছে বাংলায়। দেশের ৭০ শতাংশ স্কুলে ইন্টারনেট রয়েছে আর বাংলায় মাত্র ১৬ শতাংশ স্কুলে ইন্টারনেট আছে। স্কুলে এআই চালু হোক, রাজ‍্য সরকার তা চায় না। এখানে যোগ‍্য শিক্ষকের ঠিকানা হয় রাস্তায়।”

কলকাতায় এক দলীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে শনিবার শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের শিক্ষকহীন স্কুলের প্রায় অর্ধেক রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সেই সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, “দেশের মধ‍্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষকশূন‍্য স্কুল রয়েছে বাংলায়। দেশের ৭০ শতাংশ স্কুলে ইন্টারনেট রয়েছে আর বাংলায় মাত্র ১৬ শতাংশ স্কুলে ইন্টারনেট আছে। স্কুলে এআই চালু হোক, রাজ‍্য সরকার তা চায় না। এখানে যোগ‍্য শিক্ষকের ঠিকানা হয় রাস্তায়।”

প্যারাটিচার থেকে শুরু করে ডিএ, বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থায় একাধিক ইস্যুর কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষনীতি নিয়েও রাজ্য সরকারকে তোপ দাগতে ছাড়েননি তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বারবার বলা সত্ত্বেও জাতীয় শিক্ষনীতি চালু করা হচ্ছে না। মাতৃভাষায় অর্থাৎ বাংলা ভাষায় পড়াশোনার কথা বলা আছে জাতীয় শিক্ষনীতিতে। বাংলার সরকার বাংলা ভাষায় পড়াশোনা করতে দিতে চায় না।” একইসঙ্গে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করলে বাংলাকে সমগ্র শিক্ষা মিশনে অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল। চালু করলে এতদিনে ১০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হত বলেও উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী।

শুধু তাই নয়, ধর্মেন্দ্র প্রধানের দাবি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হলেও তা গ্রহণ করেনি মমতা সরকার। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার শিক্ষক ও পড়ুয়াদের জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।