Left-ISF: মধ্যমগ্রামে একই সঙ্গে প্রার্থী দিল বাম-ISF! আরাবুল বিতর্কের মাঝেই নতুন করে জোটে জট
Left-ISF: লাভপুরে প্রার্থী দেওয়া নিয়েও একটা জটিল পরিস্থিতির তৈরি হয়। বীরভূমের লাভপুরে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি বাম শিবির। শরিক দল ও আইএসএফের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে মতের অমিলের জেরেই জোটে জট। অন্তত লাভপুরের মাটিতে কান পাতলে তেমনই শোনা যাচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, শরিক দলগুলির সঙ্গে বিশেষ করে আইএসএফের আসন সমঝোতা নিয়ে মতবিরোধের জেরেই এই বিলম্ব।

কলকাতা: ক্যানিং পূর্বে আরাবুল ইসলামকে প্রার্থী করা নিয়ে বাম ও আইএসএফের সম্পর্কে জটিলতার মধ্যেই তৈরি হল আরেক জট! একই জায়গায় প্রার্থী দিল ফরওয়ার্ড ব্লক-আইএসএফ। মধ্যমগ্রামে প্রার্থী দিল ফরওয়ার্ড ব্লক। সেখানে আগেই প্রার্থী দিয়েছিল আইএসএফ। আইএসএফের বিরুদ্ধে মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার রাজনীতি করার অভিযোগ করছে ফরওয়ার্ড ব্লক। ঘটনাচক্রে, মধ্যমগ্রাম আসনের জন্য বুধবারই সেখানে প্রচার রয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর। অন্তত সূচি তাঁর তেমনই বলছে। আর সেই দিনেই ওখানে আসনে নিতাই পালকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে ফরওয়ার্ড ব্লক। নওশাদ সিদ্দিকীদের বিরুদ্ধে একের পর এক বাম শরিক বিস্ফোরক অভিযোগ করছেন। বামেদের একাংশের মতে, ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে।
এদিকে লাভপুরে প্রার্থী দেওয়া নিয়েও একটা জটিল পরিস্থিতির তৈরি হয়। বীরভূমের লাভপুরে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি বাম শিবির। শরিক দল ও আইএসএফের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে মতের অমিলের জেরেই জোটে জট। অন্তত লাভপুরের মাটিতে কান পাতলে তেমনই শোনা যাচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, শরিক দলগুলির সঙ্গে বিশেষ করে আইএসএফের আসন সমঝোতা নিয়ে মতবিরোধের জেরেই এই বিলম্ব।
দুই পক্ষই একাধিকবার বৈঠকে বসেছে। কার্যত এখনও যেন ‘Wait and watch’ নীতিই গ্রহণ করেছে দুপক্ষ। সিপিএম চাইছে সমস্ত বিজেপি-বিরোধী ও তৃণমূল-বিরোধী ভোট এক ছাতার তলায় আনতে। কিন্তু বামেদের একাংশের মধ্যে আইএসএফ-এর ‘সাম্প্রদায়িক’ তকমা নিয়ে দ্বিধা রয়েছে।
ভাঙড় ছাড়াও পার্শ্ববর্তী এলাকা যেমন ক্যানিং পূর্ব বা মেটিয়াবুরুজে নজর রয়েছে আইএসএফের। ক্যানিং পূর্বে আরাবুল ইসলামকে প্রার্থী করতে চাইছে ISF। কিন্তু তার তীব্র বিরোধিতা করেছেন মহম্মদ সেলিম। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, “যাঁর হাতে আমাদের কর্মীদের রক্ত লেগে আছে, তাঁকে পাশে নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করা যায় না।” যদিও নওশাদ স্পষ্ট জানিয়েছে, আরাবুলকে তাঁরা প্রার্থী করবেন কিনা, সেটা বামেরা ঠিক করে দেবে না। এই পরিস্থিতিতে আবার মধ্যমগ্রামে দু’পক্ষ একই সঙ্গে প্রার্থী দেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
