Gouranga Nagar Market Fire: ‘জলের গাড়ি কোথায়?’, মধ্যরাতে হাহাকার নিউটাউনে
Fire Erupted in Newtown: প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট-সার্কিটের জেরেই এই আগুন লেগেছিল। সেই আগুনের জেরে একটি দোকানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। তারপরেই আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে লেলিহান অগ্নিশিখা। আপাতত আগুন লাগার নির্দিষ্ট কারণ খুঁজছে দমকল। এদিন চোখের সামনে নিজেদের দোকান জ্বলতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ব্যবসায়ীরা।

কলকাতা: আগুনে পুড়ে ছারখার একের পর এক দোকান। মধ্যরাতে ভয়াবহ আগুন গৌরাঙ্গ নগর বাজারে। যার জেরে এক নাগাড়ে পুড়ে ছাই কমপক্ষে ১৪-১৫টি দোকান। মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। বছরের শুরুতেই বড় ক্ষতির মুখে তাঁরা। কিন্তু কীভাবে আগুন লাগল?
বাগজেলা খাল পাড়ের গৌরাঙ্গ নগর বাজার। রাজারহাট-নিউটাউন সংলগ্ন এলাকার একটি ব্যস্ততম পরিধি। প্রতিদিন সকাল থেকেই এখানে জমে ভিড়, বসে বাজার। এবার সেই ঘিঞ্জি এলাকাতেই ভয়াবহ আগুন। ছোট-বড় মিলিয়ে জ্বলে গেল ১৪-১৫টি দোকান। ছুটে গেল দমকলের তিনটি ইঞ্জিন। সারারাতের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছিল। কিন্তু ততক্ষণে সবটাই শেষ।
প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, শর্ট-সার্কিটের জেরেই এই আগুন লেগেছিল। সেই আগুনের জেরে একটি দোকানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। তারপরেই আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে লেলিহান অগ্নিশিখা। আপাতত আগুন লাগার নির্দিষ্ট কারণ খুঁজছে দমকল। এদিন চোখের সামনে নিজেদের দোকান জ্বলতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ব্যবসায়ীরা। কাতর আর্জি করতে দেখা যায় তাঁদের। বারংবার বলতে শোনা যায়, “জলের গাড়ি (দমকল) কোথায়, এখনও এল না।”
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে মধ্যরাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায়। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন তিনি। সেই মর্মে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হচ্ছে বলেই জানান তিনি। তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “সবটাই তদন্ত করা প্রয়োজন। বিডিওকে বিষয়টা জানানো হয়েছে। পুলিশকেও বলেছি, পঞ্চায়েত প্রধানকে কতগুলি দোকান পুড়েছে তা জানাতে।”
