21st July of Trinamool: ধর্মতলা নিয়ে দড়ি টানাটানি মমতা-ঋত তৃণমূলের, কাঁচি করে দিল কলকাতা পুলিশ
21st July of Trinamool Congress: শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও বলছেন, তাঁরা ভাবছেন এবার কোথায় সভা করা যেতে সেই বিষয়ে। কিন্তু তাঁর সাফ কথা, “একুশে জুলাই আমরা করবই। আমাদের যতই গ্রেফতার করুক আমরা করব। এখন জায়গাটা দেখছি।”

কলকাতা: অনুমতি নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ করতে চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল, গিয়েছিল ঋতব্রত তৃণমূলও। শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিল কলকাতা পুলিশ। কোনওভাবেই ওই জায়গায় সভা করার অনুমতি মিলবে না, কেউই পাবে না, সাফ জানিয়ে দিলেন কলকাতার পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দা। উল্টে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ১৬৩ ধারা জারি থাকার কথা মনে করালেন তিনি। তাই ওই এলাকায় মিটিং-মিছিলের অনুমতি দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই বলে স্পষ্ট কথা সিপির। অন্যত্র সভার আয়োজন করলে পুলিশ যে ভেবে দেখবে তাও জানিয়েছেন তিনি।
সুর চড়িয়েছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলছেন, “আন্দোলনটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনের স্রোতের। ফলে এটা সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক দমন-পীড়নমূলক। এটা শহিদ স্মৃতিকে অপমান করা, বিরোধীদের কণ্ঠরোধের সামিল। বছরে একটা দিন শহিদ তর্পন সভা করেন মমতা। সেটাকেও ভেস্তে দেওয়ার নানারকম চেষ্টা, চক্রান্ত সরকারপক্ষ বা তাঁদের বি টিমদের নামিয়ে নানা কাজ করেছেন।”
বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলছেন, “এটা কোনওভাবেই প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়। তবে ২১ জুলাই তো সেদিনই শেষ হয়ে গিয়েছিল যেদিন ২১ জুলাইয়ের গুলি চালোনার যিনি অর্ডার দিয়েছিলেন সেই মনীষ গুপ্ত তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন।” অন্যদিকে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও বলছেন, তাঁরা ভাবছেন এবার কোথায় সভা করা যেতে সেই বিষয়ে। কিন্তু তাঁর সাফ কথা, একুশে জুলাই আমরা করবই। আমাদের যতই গ্রেফতার করুক আমরা করব। এখন জায়গাটা দেখছি।
