Durga Puja: চাকরির পর প্রথম পুজো প্রিয়ঙ্কার, মুখে হাসি, তবু ভুলতে পারছেন না সহযোদ্ধাদের
Priyanka Sau: গত ৫-৬ বছর ধরে পুজোয় সেভাবে বেরোননি প্রিয়ঙ্কা। যোগ্য হয়েও বেকারত্বের যন্ত্রণা কুড়ে কুড়ে খেয়েছে তাঁকে। পুজোর আগে চাকরি হওয়ায় মুখে মৃদু হাসি তাঁর।

কলকাতা: দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ে এখন যেন ‘বাস্তবের দুর্গা’ ববিতা সরকার, প্রিয়ঙ্কা সাউরা। বাস্তবের এই দুর্গারা এখন সকলের আইকন। পুজো উদ্বোধন করেছেন ববিতা সরকার। আর সপ্তমীতে মা দুর্গার কাছে যোগ্যদের চাকরি চাইলেন প্রিয়ঙ্কা সাউ। সহযোদ্ধাদের রাস্তায় দেখে মন কাঁদে তাঁর। গত ৫-৬ বছর ধরে পুজোয় সেভাবে বেরোননি প্রিয়ঙ্কা। যোগ্য হয়েও বেকারত্বের যন্ত্রণা কুড়ে কুড়ে খেয়েছে তাঁকে। পুজোর আগে চাকরি হওয়ায় মুখে মৃদু হাসি তাঁর। ঠাকুর দেখায় এবার প্রিয়ঙ্কার সঙ্গী TV9 বাংলা।
এবার পুজোয় অনেকটা দুশ্চিন্তামুক্ত প্রিয়ঙ্কা। এখন তাঁর বেকার তকমা ঘুচেছে। কিন্তু তাঁর সহযোদ্ধারা? তাঁরা তো এখনও আন্দোলনে সামিল। এখনও তাঁরা গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে রয়েছেন, হকের চাকরি পাওয়ার আশায়। তাই সপ্তমীতে প্রিয়ঙ্কা প্রার্থনা করলেন দেবীর কাছে, সকলেরই যেন চাকরি হয়ে যায়। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানালেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায়কেও। বললেন পুজোর আগে মা দুর্গাই তাকে পাঠিয়েছেন অসহায় চাকরিপ্রার্থীদের জন্য। প্রিয়ঙ্কা বললেন, “এবারের পুজোটা আমার কাছে একটু অন্যরকম। এতদিনের দীর্ঘ বঞ্চনার পর আদালতের দ্বারস্থ হয়ে বিচার মিলেছে। সেক্ষেত্রে আমার হয়ত হাসি এসেছে… যদিও যতক্ষণ না ছাত্রদের কাছে পৌঁছতে পারছি, ততক্ষণ পুরো হাসি আসেনি। কিন্তু আমার সহযোদ্ধা, যাঁরা একইভাবে লড়ছেন, তাঁরা এখনও রাস্তায় বসে আছেন। আজ সাড়ে পাঁচশো দিনের উপরে হয়ে গিয়েছে। তাঁদের বঞ্চনার অবসান হচ্ছে না। সেই জন্য মায়ের কাছে একটাই প্রার্থনা, যেন যোগ্যদের চাকরি হয়।”
শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। বলেন, “আমি, আগেও বলেছি, আবারও বলব, উনি ভগবানতুল্য।” সব মিলিয়ে এবার পুজোটা পুরোটাই অন্যরকম প্রিয়ঙ্কা সাউয়ের জন্য। বেকারত্বের জ্বালা কাটিয়ে ওঠার পুরোপুরি মনকে শান্ত রাখতে পারছেন না তিনি। সহযোদ্ধাদের কথা, যাঁদের সঙ্গে এতদিন আন্দোলন করেছেন তিনি, তাঁদের কথা বার বার ঘুরেফিরে আসছে তাঁর মনে।
