AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Saltlake Stadium: ‘মানেটা তখন জিজ্ঞেস করতে পারিনি’, মমতার ‘খারাপ লাগলেও’ নিজের তৈরি মূর্তি ভাঙায় খুশি খোদ শিল্পী

সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নামে ওই শিল্পী জানান, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তাঁকে ওই মূর্তি তৈরির কথা বলেছিলেন। প্রায় ১২০ ফুট উচ্চতা হওয়ার কথা ছিল। শিল্পী বলেন, "আমার কাছে কনসেপ্টটা পাঠানো হয়েছিল। সেটা দেখে মূর্তি তৈরি করি। তখন বলেছিলাম, ভালো লাগবে না।"

Saltlake Stadium: 'মানেটা তখন জিজ্ঞেস করতে পারিনি', মমতার 'খারাপ লাগলেও' নিজের তৈরি মূর্তি ভাঙায় খুশি খোদ শিল্পী
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: May 26, 2026 | 3:15 PM
Share

কলকাতা: ১৯৮৪  সালে উদ্বোধনের পর থেকে অনেক ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। একের পর এক ম্যাচ, তাবড় খেলোয়াড়দে উপস্থিতি যুবভারতীকে দিনের পর দিন সমৃদ্ধ করেছে। আর সেই যুবভারতীর সামনেই বছর কয়েক আগে বসানো হয়েছিল একটি মূর্তি। সেই মূর্তি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা কম হয়নি। পালাবদলের পর ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের তত্ত্বাবধানে ভেঙে ফেলা হয়েছে সেই মূর্তি। নিজের তৈরি সেই মূর্তি ভাঙায় কী বলছেন সেই শিল্পী?

ভেঙে ফেলা হয়েছে ‘কাটা পা’ মূর্তি

দুটি পেশীবহুল, দীর্ঘ পা। কোমর থেকে দেহের বাকি অংশ নেই। সেই কাটা কোমরের উপর রাখা বিশ্ব বাংলার লোগো লাগানো একটি বলয়। গত কয়েক বছর ধরে এই স্থাপত্য দেখা যেত যুবভারতীর সামনে। ওই দুই পায়ের ফাঁক দিয়েই স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে হত ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের। রাজ্যে সরকার বদলের পর ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, বিদঘুটে একটা মূর্তি। একটা কাটা পা, তার উপর ফুটবল। এমন অর্থহীন মূর্তির কোনও প্রয়োজন নেই। এরপরই ভেঙে ফেলা হয় ওই মূর্তি।

মমতা দুঃখ পেলেও খুশি শিল্পী

সম্প্রতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুক লাইভে বসে মূর্তি ভাঙা প্রসঙ্গে বলেন, “খারাপ লেগেছে। একজন আর্টিস্টকে দিয়ে করিয়েছিলাম। আমার উপর রাগ থাকতেই পারে, তাই বলে ভেঙে ফেলা হল!” কিন্তু সেই আর্টিস্ট বা শিল্পী, যিনি ওই মূর্তি তৈরি করেছিলেন, তিনি মূর্তি ভাঙায় খুশি।

সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নামে ওই শিল্পী জানান, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তাঁকে ওই মূর্তি তৈরির কথা বলেছিলেন। প্রায় ১২০ ফুট উচ্চতা হওয়ার কথা ছিল। শিল্পী বলেন, “আমার কাছে কনসেপ্টটা পাঠানো হয়েছিল। সেটা দেখে মূর্তি তৈরি করি। তখন বলেছিলাম, ভালো লাগবে না। ওই মূর্তির তলা দিয়ে যেন মানুষ যনা যায়।” তবে মূর্তির অর্থ তাঁর কাছে বোধগম্য হয়নি। সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মূর্তির মানেটা তো জিজ্ঞেস করতে পারিনি। তখন বুঝতেও পারিনি। আপনারা যে রকম বুঝে নিচ্ছেন, আমিও ওরকমই বুঝে নিয়েছিলাম।”

শিল্পী আরও জানান, মূর্তি তৈরি হয়ে যাওয়ার পর থেকেই বহুবার ট্রোলিং হয়েছে। তাঁর কাছে অনেক ফোনও এসেছে। সেই ঠাট্টা-মস্করা শেষ হওয়ায় এবার খুশি শিল্পী।

Follow Us