আপনার পায়ের আঙুলের তর্জনি খুব দীর্ঘ? জেনে নিন কী রয়েছে ভাগ্যে
কোনও নারীর যদি পায়ের দ্বিতীয় আঙুলটি লম্বা হয়, তবে তিনি তাঁর স্বামীকে অত্যন্ত গভীরভাবে ভালোবাসেন। যদিও মনের কথা বা ভালোবাসার প্রকাশ করতে এঁরা কিছুটা লাজুক হন। বাইরে থেকে অনেক সময় এঁদের ক্রোধী বলে মনে হতে পারে, কিন্তু মনের ভেতরে এঁদের কোনও বিদ্বেষ বা ঘৃণা থাকে না। এঁরা অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের অধিকারী হন।

জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, নারী হোক বা পুরুষ—যাঁদের পায়ের বুড়ো আঙুলের পাশের আঙুলটি লম্বা হয়, তাঁরা অত্যন্ত ভাগ্যবান হন। এঁদের ব্যক্তিত্বে এক স্বাভাবিক আকর্ষণ থাকে। এঁদের কথা বলার ধরন, কাজ এবং চেহারার অভিব্যক্তি খুব সহজেই অন্যকে প্রভাবিত করতে পারে।
শাস্ত্র অনুযায়ী, কোনও নারীর যদি পায়ের দ্বিতীয় আঙুলটি লম্বা হয়, তবে তিনি তাঁর স্বামীকে অত্যন্ত গভীরভাবে ভালোবাসেন। যদিও মনের কথা বা ভালোবাসার প্রকাশ করতে এঁরা কিছুটা লাজুক হন। বাইরে থেকে অনেক সময় এঁদের ক্রোধী বলে মনে হতে পারে, কিন্তু মনের ভেতরে এঁদের কোনও বিদ্বেষ বা ঘৃণা থাকে না। এঁরা অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের অধিকারী হন।
জীবনে শুরুতে অনেক প্রতিকূলতা বা লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হলেও, প্রবল পরিশ্রম, একাগ্রতা এবং আত্মবিশ্বাসের জোরে এঁরা শেষ পর্যন্ত সফল হন। কোনও কাজ হাতে নিলে তা শেষ না করা পর্যন্ত এঁদের শান্তি নেই।
যাঁদের এই আঙুলটি লম্বা হয়, তাঁদের মধ্যে জন্মগতভাবে নেতৃত্বের ক্ষমতা বা ‘লিডারশিপ কোয়ালিটি’ থাকে। তবে যদি এই আঙুলটি অস্বাভাবিক মাত্রায় লম্বা হয়, সেক্ষেত্রে কিছুটা অলসতাও দেখা দিতে পারে। এঁরা নিজেদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ পছন্দ করেন না। আর্থিক সাফল্যের কথা বলতে গেলে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়সের পর এঁদের ভাগ্যোন্নতি ঘটে।
অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের হওয়ায় এঁরা অন্যদের কঠোর কথাও শান্তভাবে গ্রহণ করে নেন। কাজের প্রতি অতিরিক্ত দায়বদ্ধতার কারণে অনেক সময় এঁদের বন্ধুবান্ধবের সংখ্যা সীমিত হয়।
শাস্ত্রের এই ইঙ্গিতগুলি মূলত ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও প্রবণতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, শাস্ত্র যাই বলুক না কেন—জীবনে সাফল্য পাওয়ার মূল চাবিকাঠি হলো কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং সঠিক কর্ম।
