AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

রবিঠাকুরের ‘মানভাজা’ খাবেন? এভাবে খেলে চুলকাবে না

মানকচুকে প্রথমে মিহি করে কোরা বা কুচিয়ে নিতে হবে।তারপর কচুর রস পুরোপুরি নিংড়ে বের করে দিতে হবে যাতে গলা না চুলকায়। মৃণালিনী দেবী এতে ব্যবহার করতেন গাওয়া ঘি, কোরা নারকেল, চিনি এবং সামান্য গরম মশলা। ধিমে আঁচে ঘি-তে লালচে করে এই কচু কোরাকে ভাজতে হবে, যতক্ষণ না তা ঝুরঝুরে এবং সুগন্ধি হয়ে ওঠে।

রবিঠাকুরের 'মানভাজা' খাবেন? এভাবে খেলে চুলকাবে না
Image Credit: AI
| Updated on: Feb 26, 2026 | 5:05 PM
Share

ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলের রান্নাবান্না নিয়ে বাঙালির কৌতূহলের শেষ নেই। জোড়াসাঁকোর সেই হেঁশেল থেকে জন্ম নিয়েছে কতশত কালজয়ী পদ। কিন্তু সময়ের নিয়মে অনেক রেসিপিই আজ ধুলোবালি মাখা পুরনো ডায়েরির পাতায় বন্দি। তেমনই এক সুস্বাদু পদ হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর হাতের ছোঁয়া লাগা ‘মানভাজা’।সাধারণত মানকচু বাটা বা ভাতে খাওয়ায় চল রয়েছে বাঙালি বাড়িতে। কিন্তু মৃণালিনী দেবী এই সাধারণ কচুকেই এক অনন্য রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর হাতের এই ‘মানভাজা’ ছিল ঠাকুরবাড়ির সদস্যদের অত্যন্ত প্রিয়। আধুনিক প্রজন্মের কাছে যেখানে পিৎজা-পাস্তার রমরমা, সেখানে মানকচুর এই সাবেকি পদটি প্রায় বিলুপ্তির পথে।

কী এই ‘মানভাজা’?

এটি আর পাঁচটা সাধারণ ভাজার মতো নয়। এর বিশেষত্ব হলো এর তৈরির পদ্ধতিতে। মৃণালিনী দেবীর সেই বিখ্যাত রেসিপি কীভাবে বানাবেন? মানকচুকে প্রথমে মিহি করে কোরা বা কুচিয়ে নিতে হবে।তারপর কচুর রস পুরোপুরি নিংড়ে বের করে দিতে হবে যাতে গলা না চুলকায়। মৃণালিনী দেবী এতে ব্যবহার করতেন গাওয়া ঘি, কোরা নারকেল, চিনি এবং সামান্য গরম মশলা। ধিমে আঁচে ঘি-তে লালচে করে এই কচু কোরাকে ভাজতে হবে, যতক্ষণ না তা ঝুরঝুরে এবং সুগন্ধি হয়ে ওঠে।

কেন হারিয়ে যাচ্ছে এই স্বাদ?

আজকের দ্রুতগতির জীবনে রান্নায় অতটা সময় দেওয়ার ধৈর্য বা সুযোগ অনেকেরই নেই। মানকচু বাছা, কোরা এবং সঠিক পদ্ধতিতে তার রস নিংড়ে রান্না করাটা বেশ সময়সাপেক্ষ কাজ। ফলে ডাইনিং টেবিল থেকে এই পদটি প্রায় হারিয়ে গিয়েছে। অথচ পুষ্টিগুণ এবং স্বাদের দিক থেকে এটি যেকোনও আধুনিক খাবারকে টেক্কা দিতে পারে। বাড়িতে কোনও উৎসবের মরশুম হোক বা নিরামিষ দিনে।একবার বানিয়ে নিতেই পারেন মানভাজা।