শিকাগো পিৎজা: জায়গার নাম অনুযায়ী নামকরণ হয় এই পিৎজার। সময়টা ১৯০০-এর প্রথম দিকে যখন এক ইতালীয় ভদ্রলোক নেপোলিটান পিৎজার খোঁজ করেন শিকাগো শহরে। সেই প্রথম শিকাগো শহরে তৈরি হয় পিৎজা, যা অন্যান্য পিৎজার তুলনায় পুরু এবং কিছু পাই আকৃতির মত দেখতে।
সিসিলিয়ান পিৎজা: গোল নয়, বর্গাকৃতির হয় সিসিলিয়ান পিৎজা যা সব সময় চিসের সাথে পরিবেশন করা হয় না। বেশ মোটা ও মুচমুচে হয় এই পিৎজা। তার সাথে থাকে টমেটো সস।
ডেট্রয়েট পিৎজা: ১৯৪০ সালে অটোমেটেড বেক ওভেনে তৈরি করা হয় ডেট্রয়েট পিৎজা। ব্রিক চিস ও পেপারোনি দিয়ে তৈরি হয় এই পিৎজা।
ক্যালিফোর্নিয়া পিৎজা: শেফ এড লাডো ১৯৭০ এর দশকের শেষের দিকে ক্যালিফোর্নিয়া পিৎজা তৈরি করেন। এই পিৎজা তৈরি করতে সর্ষে, রিকোটা, পেট এবং লাল মরিচ ব্যবহার করা হয়।
সেন্ট লুইস পিৎজা: চেদ্দার, সুইস এবং প্রোভোলন চিসের সংমিশ্রণের তৈরি হয় এই পিৎজা। সব থেকে বড় বিষয় হল এই সেন্ট লুইস পিৎজায় কোনও রকম ইস্ট দেওয়া থাকে না।
গ্রিক পিৎজা: গ্রিস ও ইতালি ইউরোপের দেশ হওয়ায় সত্ত্বেও গ্রিক পিৎজার অনুপ্রেরণা আমেরিকার থেকে নেওয়া। বেশি তেল দিয়ে তৈরি হয় এই পিৎজা এবং এর নিচের অংশ ভাজা হয়।
নিউ ইয়র্ক স্টাইল পিৎজা: আমেরিকার স্থানীয় এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার হল নিউ ইয়র্ক স্টাইল পিৎজা। আমেরিকার জলের জন্য এর স্বাদও অন্যান্য পিৎজার তুলনায় আলাদা হয়।