AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

T20 World Cup: রাজা ভারতই, গোল্লায় গেল নকভিদের গর্জন!

নতুন এই কাঠামোয় ভারতীয় বোর্ডের লভ্যাংশ বেশি হলেও, বাকি কোনও দেশ এই উপার্জনের লভ্যাংশের এক তৃতীয়াংশ মূল্যও পাবে না। ভারতের পর সবচেয়ে বেশি রাজস্ব পায় ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তান বোর্ড। অপর দিকে, প্রায় ৯০টির বেশি অ্যাসোসিয়েট দেশ প্রায় ৬৭.৫ মিলিয়ন ডলার ভাগ করে নেবে।

T20 World Cup: রাজা ভারতই, গোল্লায় গেল নকভিদের গর্জন!
Image Credit: Sameera Peiris-ICC/ICC via Getty Images, Alex Davidson-ICC/ICC via Getty Images
| Edited By: | Updated on: Feb 10, 2026 | 8:21 PM
Share

কলকাতা : ক্রিকেট একসময় ব্যাট-বলের খেলা হিসেবে শুরু হলেও এখন আয়ের একটি বিশাল বড় এক্সেল শিট হিসেবে গণ্য হয়। সেই শিটের উপরের সারিতে একটাই নাম, ভারত। প্রতিবছর আইসিসির রাজস্বের প্রায় ৩৮ শতাংশেরও বেশি পায় বিসিসিআই। আইসিসির ২০২৪-২০২৭ রাজস্ব মডেল অনুযায়ী, ভারতীয় বোর্ডের প্রাপ্তিলাভ হবে প্রায় ৩৮.৫%। অর্থাৎ বছরে পাবে প্রায় ২৩ কোটি মার্কিন ডলার। নানারকম উপার্জনের মাধ্যমে মোট ৬০০ মিলিয়ন ডলার ঘরে তুলতে চলেছে আইসিসি।

নতুন এই কাঠামোয় ভারতীয় বোর্ডের লভ্যাংশ বেশি হলেও, বাকি কোনও দেশ এই উপার্জনের লভ্যাংশের এক তৃতীয়াংশ মূল্যও পাবে না। ভারতের পর সবচেয়ে বেশি রাজস্ব পায় ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তান বোর্ড। অপর দিকে, প্রায় ৯০টির বেশি অ্যাসোসিয়েট দেশ প্রায় ৬৭.৫ মিলিয়ন ডলার ভাগ করে নেবে। আইসিসি মূলত ম্যাচ ফি, টিকিট বিক্রি, সমর্থকদের দ্বারা ভিউয়ারশিপ, স্পনসরশিপ — এ সবের ভিত্তিতে লভ্যাংশ ভাগ করে। সে দিকেই সবচেয়ে এগিয়ে ভারতীয় বোর্ড। নতুন মডেলে বিসিসিআইয়ের বাণিজ্যিক লভ্যাংশ ধরা হয়েছে প্রায় ৮৫.৩ শতাংশ। ২০২৪-২০৩১ সালের মধ্যে মিডিয়া রাইটস বিভাগে অনেক এগিয়ে ভারত। তাদের মিডিয়া রাইটসের মূল্য ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যা ছাপিয়ে গেছে সব হিসেব।

যদিও পাকিস্তান বোর্ড এই নিয়মের বিরোধিতা করেছিল, কিন্তু তাদের কোন যুক্তিই ধোপে টেকেনি। এমনিতেও, আইসিসি পাকিস্তানকে দেয় মাত্র ৬ শতাংশেরও কম। সেখানে পাক বোর্ডের যুক্তি শোনার কোন কারণ দেখায়নি আইসিসি। আইসিসির যেকোনো ইভেন্টেই ভারত বনাম পাক ম্যাচ দেখতে মুখিয়ে থাকেন দর্শকরা। সেখানে পাকিস্তান শুরুতে বলেছিল আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি, রবিবার ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না। আশঙ্কা করা হয়েছিল, এই ম্যাচ না হলে বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে আইসিসি এবং দুই দেশের বোর্ড। একদম শেষ মুহূর্তে গোটা বিশ্বের কাছে নিজেদের ‘খেলো’ বানিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে পাক বোর্ড। ম্যাচ না খেললে রাজস্ব থেকে অনুদান দেওয়া বন্ধ করতে পারে আইসিসি – এই ভয়েই ম্যাচ খেলবেন বাবররা, বলছে ক্রিকেটমহল।