AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Duleep Trophy Final 2026: ১৪ বছরের অপেক্ষার অবসান, দলীপ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন বৈভব-ঈশানের পূর্বাঞ্চল!

East Zone vs South Zone: প্রথম ইনিংসে রানের পাহাড় তুলেছিল পূর্বাঞ্চল। ৩৩৪ বলে ২৭০ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেছেন ঈশান কিষাণ। ১৩২ বলে সেঞ্চুরি ইনিংস খেলেছেন কুমার কুশাগ্রও (১০১)। ৭০৮ রানে অল আউট হওয়ার ফলে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণাঞ্চলের সামনে লক্ষ্য ছিল, কম করে ৭০৯ রান তোলার।

Duleep Trophy Final 2026: ১৪ বছরের অপেক্ষার অবসান, দলীপ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন বৈভব-ঈশানের পূর্বাঞ্চল!
দলীপ ট্রফি ২০২৬Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Sep 10, 2026 | 3:02 PM
Share

চেন্নাই : প্রথম ইনিংসের পরেই অঙ্কটা সামনে চলে এসেছিল। নেহাত কোনও অঘটন না ঘটলে এই অঙ্ক বদলানোর নয়। সেটাই হল। প্রত্যাশামতোই ১৪ বছর পর দলীপ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হল পূর্বাঞ্চল। ২০১২-১৩ মরশুমের পর ঈশান কিষাণ-বৈভব সূর্যবংশীর হাত ধরে দলীপ এল দেশের পূর্বে। চেন্নাইয়ের এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে দক্ষিণাঞ্চলকে ধরাশায়ী করে চ্যাম্পিয়ন হলেন শামিরা।

চতুর্থ দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে পূর্বাঞ্চলের স্কোর ছিল ২১২/৫। তবে আজ মাত্র ২ উইকেট পড়েছে গোটা দিনে। এরপরেই ঈশান কিষাণ ম্যাচ শেষ করার অনুরোধ করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ হন দুই ওপেনার বৈভব (৮) ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ (৩)। শিখর মোহন করেন ৫২ রান। ৮০ রান করে আউট হন ক্যাপ্টেন ঈশান কিষাণ। অল্পের জন্য হাফ সেঞ্চুরি মিস করেছেন কুমার কুশাগ্র (৪৬)। মহম্মদ কৌনেই কুরেশি অপরাজিত থাকেন ১১৬ রানে। এর ফলেই ৩৮৮/৭ রানে থামে পূর্বাঞ্চলের ইনিংস। প্রথম ইনিংসে রানের পাহাড় তুলেছিল পূর্বাঞ্চল। ৩৩৪ বলে ২৭০ রানের ম্যারাথন ইনিংস খেলেছেন ঈশান কিষাণ। ১৩২ বলে সেঞ্চুরি ইনিংস খেলেছেন কুমার কুশাগ্রও (১০১)। ৭০৮ রানে অল আউট হওয়ার ফলে প্রথম ইনিংসে দক্ষিণাঞ্চলের সামনে লক্ষ্য ছিল, কম করে ৭০৯ রান তোলার। কিন্তু দক্ষিণাঞ্চল ৩৩৬ রানেই অল আউট হয়ে যায়। ৯৯ রান করেন অধিনায়ক তিলক ভার্মা।

দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে মহম্মদ সিরাজ দীর্ঘ স্পেল করে বল করলেও অন্য বোলারদের থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা পেলেন না। ড্র হয়ে যায় ম্যাচ। তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেই উল্লাস শুরু করেন পূর্বাঞ্চলের খেলোয়াড়রা। সবাই নাচানাচি শুরু করে দেন। একসঙ্গে গোটা দলকে হাডল করতেও দেখা যায়।

তবে এই ফাইনাল একটি কারণে স্মরণীয়। এক, এটি মহম্মদ শামির ১০০তম প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ ও সেই ম্যাচে জয় পেলেন শামি। আবার, এই ম্যাচে ক্যাপ্টেন হয়েছিলেন বৈভব সূর্যবংশীও। তিনিও মাত্র ১৫ বছর বয়সেই ট্রফি জিতে নিয়েছেন। ফাইনালে ২ ইনিংস মিলিয়ে ৫২ রান করলেও তাঁর অধিনায়কত্ব ও জয় – দুই মিলে মিশেই ১৪ বছর পর পূর্বাঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন হওয়া স্মরণীয় হয়ে থাকল।

Follow Us