AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

East Bengal FC: ‘মাস্টার বলেছিল রেফারি আমাদের হয়ে খেলাবে…’, বিস্ফোরক মন্তব্য প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কারের!

Oscar Bruzon : যদিও এই মাস্টার কে, এই নিয়ে কিছুই খোলসা করে বলেননি অস্কার। তবে তিনি বারংবার নিজের পোস্টে এই মাস্টারের নাম উল্লেখ করেছেন। এরপর থেকেই সোশাল মিডিয়াতে ক্রীড়াপ্রেমীরা প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে কি ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল পাওয়াটা আগে থেকে ঠিক ছিল?

East Bengal FC: 'মাস্টার বলেছিল রেফারি আমাদের হয়ে খেলাবে...', বিস্ফোরক মন্তব্য প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কারের!
বিস্ফোরক অস্কার!Image Credit: Indian Super League Official Website
| Edited By: | Updated on: Sep 11, 2026 | 11:26 PM
Share

কলকাতা : তিনি ইস্টবেঙ্গলের ভারতসেরা কোচ। তাঁর বদান্যতায় ২৩ বছর পর জাতীয় পর্যায়ে কোনও ট্রফি পেয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। কিন্তু লাল-হলুদে থাকাকালীন বারবার ঝামেলাতে জড়িয়েছেন তিনি অর্থাৎ প্রাক্তন লাল-হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজো। তবে তিনি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পরেও বিতর্ক থামেনি। এবার তিনি এমন এক অভিযোগ এনেছেন, যা নিয়ে উত্তপ্ত কলকাতা ময়দান। সোশাল মিডিয়াতে অস্কার জানিয়েছেন, ইস্টবেঙ্গল নাকি শেষ ম্যাচে রেফারি ম্যানেজ করেছিল। এই নিয়েই চলছে চাপানউতোর। সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত চরিত্র লালমোহন গাঙ্গুলি সশরীরে থাকলে নির্ঘাত লিখতেন, ‘লালহলুদ সরগরম’।

এক্স হ্যান্ডলে অস্কার জানিয়েছেন, “দলের উন্নতির জন্য আমাকে মাস্টারকে সরিয়ে দিতে হয়েছে। এই মাস্টার বারবার দলের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চাইছিলেন। তাঁর কাজ ছিল, খেলোয়াড়দের ও কোচিং স্টাফদের মনোবল নষ্ট করা। বারবার তিনি তাঁদের সমালোচনা করতেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ঢুকতেন। সেই জন্যই দলকে বাঁচাতে আমাকে এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। সিজনের শেষ ম্যাচের আগে মাস্টার দলের বেশ কিছু সদস্যকে জানান, রেফারি আমাদের হয়েই খেলাবেন। কিন্তু সেটা হয়নি। রেফারি নিরপেক্ষ ছিলেন।”

প্রসঙ্গত, গত আইএসএলে গোলকিপার কোচ সন্দীপ নন্দীর বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিলেন অস্কার। তাঁর মত ছিল, দলের ভেতরের কথা ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। পোস্টেও সেই কথা উল্লেখ করেছেন অস্কার। তিনি জানিয়েছেন, “মোহনবাগান ঠিক পাশের ক্লাবেই অনুশীলন করাচ্ছিল কিন্তু ওদের কোনও কথা ফাঁস হয়নি। তবে আমাদের সব প্ল্যানিং বাইরের লোকেরা জেনে ফেলছিল। দলের সাফল্য কখনওই চাননি মাস্টার।” কেরালার বিরুদ্ধে ম্যাচ ড্র হওয়ার পর যে অস্কার ব্রুজোকে অপসারণের কথা উঠেছিল, তারও নেপথ্যে ছিলেন নাকি এই মাস্টার।

যদিও লাল-হলুদের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার এই বিষয়ে মুখ খুলে বলেছেন, “অস্কারের ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে অস্তিত্ব কী? অস্কার আমাদের আইএসএল দিয়েছেন। অস্কার আমাদের নয়নের মণি। কিন্তু ওঁর বক্তব্য নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কাকে তিনি মাস্টার বলছেন, কাকে নিয়ে কী করেছেন, সেই বিষয়ে আমরা হস্তক্ষেপ করতে চাই না। অস্কার ব্রুজো জিন্দাবাদ।” সুতরাং লাল-হলুদ ছেড়ে দিলেও এখনও ক্লাব সম্বন্ধে যে ক্ষোভ যায়নি অস্কারের, তাই যেন একের পর এক সোশাল মিডিয়া পোস্টে বুঝিয়ে দিচ্ছেন তিনি।

যদিও এই মাস্টার কে, এই নিয়ে কিছুই খোলসা করে বলেননি অস্কার। তবে তিনি বারংবার নিজের পোস্টে এই মাস্টারের নাম উল্লেখ করেছেন। এরপর থেকেই সোশাল মিডিয়াতে ক্রীড়াপ্রেমীরা প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে কি ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল পাওয়াটা আগে থেকে ঠিক ছিল? তাহলে কি রেফারিকে ম্যানেজ করে ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে খেলানোর জন্য ঠিক করা হয়েছিল? কিছু ক্রীড়াপ্রেমী এও মনে করেন, এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ নিয়ে এক্ষুনি তদন্ত শুরু করা উচিত ফেডারেশনের। যদি তদন্তে লাল-হলুদ ক্লাবের সেই মাস্টার এবং অন্তর্বর্তী ম্যানেজমেন্ট দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে কি ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল ট্রফি নিয়ে নেওয়া হবে? এমন প্রশ্ন করতে দেখা যাচ্ছে অনেককে। তবে এই বিতর্ক যে আচমকাই কলকাতা ময়দানকে উত্তপ্ত করে দিয়েছে তা বলাই বাহুল্য।

Follow Us