Pakistan Cricket: বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যেতেই কঠোর শাস্তি, ৫০ লক্ষ টাকার জরিমানা বাবরদের!
পাকিস্তান সুপার এইটে উঠলেও তাদের পরিকল্পনার ঘাটতি ও মানসিক দৃঢ়তার অভাব চোখে পড়ার মতো। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বৃষ্টির ফলে এক পয়েন্ট পায় পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের কাছে হার এবং শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধের জয় দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। সব মিলিয়ে আর একটি আইসিসি ইভেন্টে চরম ব্যর্থ পাক টিম। উপমহাদেশের দল হয়েও শ্রীলঙ্কার পরিচিত কন্ডিশনে এ ভাবে ব্যর্থ হওয়া অনেককেই অবাক করেছে। স্পিন সহায়ক পিচ, চেনা আবহাওয়া, কোনও অজুহাতই কার্যত খাটে না। ফলে এই পরিস্থিতিতে বোর্ডের কড়া অবস্থানই যেন বার্তা দিচ্ছে, আর ‘আদর-আপ্যায়ন’ নয়, ফলই আসল।

কলকাতা: বিশ্বকাপের সুপার এইট থেকে পাকিস্তানের বিদায়ের পর কঠোর পদক্ষেপ নিল পিসিবি। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে পিসিবি। যা ভারতীয় টাকায় প্রায় ১৬.২ লক্ষ টাকা। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের দাবি, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তোষ থাকার ফলেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত। এ নিয়ে টানা চতুর্থ আইসিসি টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হল পাকিস্তান। শুরুর থেকেই এ বারের অভিযান ছিল অনিশ্চয়তায় ভরা। নেদারল্যান্ডস বা আমেরিকার বিরুদ্ধে পারফরম্যান্স সন্তোষজনক ছিল না। কোনও ম্যাচেই আত্মবিশ্বাসের ছাপ ছিল না পাক টিমের। ভারতের বিরুদ্ধে ৬১ রানে হার দলের দুর্বলতা আরও স্পষ্ট করে দেয়।
পাকিস্তান সুপার এইটে উঠলেও তাদের পরিকল্পনার ঘাটতি ও মানসিক দৃঢ়তার অভাব চোখে পড়ার মতো। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বৃষ্টির ফলে এক পয়েন্ট পায় পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের কাছে হার এবং শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধের জয় দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। সব মিলিয়ে আর একটি আইসিসি ইভেন্টে চরম ব্যর্থ পাক টিম। উপমহাদেশের দল হয়েও শ্রীলঙ্কার পরিচিত কন্ডিশনে এ ভাবে ব্যর্থ হওয়া অনেককেই অবাক করেছে। স্পিন সহায়ক পিচ, চেনা আবহাওয়া, কোনও অজুহাতই কার্যত খাটে না। ফলে এই পরিস্থিতিতে বোর্ডের কড়া অবস্থানই যেন বার্তা দিচ্ছে, আর ‘আদর-আপ্যায়ন’ নয়, ফলই আসল। বোর্ডের যুক্তি অনুযায়ী, আর্থিক সুবিধা পেতে হলে পারফরম্যান্সে তার প্রতিফলন থাকতেই হবে। ৫০ লক্ষ রুপির জরিমানা নিছক প্রতীকী নয়। বিশেষ করে গ্রেড সি বা ডি র ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এই অঙ্ক তাঁদের মাসিক আয়ের চেয়েও বেশি। ফলে সিদ্ধান্তটি যে যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে,তা বলাই বাহুল্য।
সমালোচকদের মতে, ক্রিকেটাররা ইচ্ছে করে খারাপ খেলেন না। বড় মঞ্চে চাপ সামলাতে না পারা, বা পরিকল্পনার ঘাটতি থাকতেই পারে। কিন্তু সরাসরি আর্থিক জরিমানা সমস্যার সমাধান নয়। অন্যদিকে বোর্ডের একাংশ মনে করছে, কঠোর বার্তা না দিলে মানসিকতায় পরিবর্তন আসবে না। পাকিস্তান ক্রিকেটে এখন আত্মসমালোচনার সময়। মাঠের পারফরম্যান্স যেমন প্রশ্নের মুখে, তেমনই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আগামী দিনে এই কঠোর পদক্ষেপ আদৌ ইতিবাচক ফল দেয় কি না, সেটাই দেখার।
