Alien Signal: এই প্রথম এলিয়েন সিগন্যাল ধরা পড়ল মঙ্গলে, ট্র্যাক করা গেল পৃথিবী থেকে…
Alien Signal Beamed: গত বুধবার রাত 9টায় মঙ্গল গ্রহের চারপাশে তার কক্ষপথ থেকে পৃথিবীতে একটি এনকোডেড মেসেজ ফ্ল্যাশ করেছে দ্য ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার। ঠিক সেই সময়ই অন্য কোনও সভ্যতা থেকে একটি বাস্তব সংকেত আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়।
এই প্রথম মঙ্গল গ্রহ থেকে এলিয়েন সিগন্যাল পাওয়া গেল। গত বুধবার রাত 9টায় মঙ্গল গ্রহের চারপাশে তার কক্ষপথ থেকে পৃথিবীতে একটি এনকোডেড মেসেজ ফ্ল্যাশ করেছে দ্য ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির এক্সোমার্স ট্রেস গ্যাস অরবিটার। ঠিক সেই সময়ই অন্য কোনও সভ্যতা থেকে একটি বাস্তব সংকেত আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়।
‘আ সাইন ইন স্পেস’ প্রজেক্টের মূল কারিগর যিনি, সেই ড্যানিয়েলা ডে পওলিস বলছেন, “সমগ্র ইতিহাস জুড়ে মানবতা শক্তিশালী এবং রূপান্তরকারী ঘটনার অর্থ অনুসন্ধান করেছে। এখন এই বাইরের কোনও সভ্যতা থেকে একটি বার্তা প্রাপ্তি সমগ্র মানবজাতির জন্য রূপান্তরমূলক এক অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।”
সার্চ ফর এক্সট্রাটেরেস্টিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইনস্টিটিউট বা SETI-র একজন আর্টিস্ট হলেন পওলিস। বহির্জাগতিক বার্তা ডিকোডিং এবং তার ব্যাখ্যা করার প্রক্রিয়াটি অন্বেষণ করার জন্য একটি প্রকল্প তৈরি করতে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, মহাকাশ বিজ্ঞানী এবং শিল্পীদের একটি দলকে একত্রিত করেছেন এই শিল্পী।
ইউরোপের একটি অনুসন্ধানকারী দল এই সংকেতটি ট্র্যাক করেছিল প্রকল্পের অংশ হিসেবেই। গ্রিন ব্যাঙ্ক টেলিস্কোপ (ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া), মেডিসিনা রেডিও অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল স্টেশন (ইতালি), অ্যালেন টেলিস্কোপ অ্যারে (ক্যালিফোর্নিয়া) এবং নিউ মেক্সিকোর আর একটি খুব বড় অ্যারে দ্বারা গৃহীত হয়েছিল।
প্রজেক্টের ওয়েবসাইটে লেখা হচ্ছে, “আমরা ব্যক্তি এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীকে কনটেন্ট ডিকোডিং এবং তার ব্যাখ্যায় অংশ নিতে বলেছি। ডিকোডিং এবং ব্যাখ্যা প্রক্রিয়ায় মেসেজটির প্রযুক্তিগত এবং সাংস্কৃতিক উভয় বিষয়বস্তুই নির্ধারণ করবে।” এই মেসেজটি ডিজ়াইন করেছেন ডি পওলিস ও তাঁর দল। এটি এনকোডও তাঁরাই করেছেন, কিন্তু তা এখনও পর্যন্ত অপ্রকাশিত। এখন এই এনকোডেড মেসেজটি ব্যাখ্যা করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে লোকজনের কাছে।
ATA প্রজেক্ট সায়েন্টিস্ট ডক্টর ওয়েল ফারাহ বলছেন, “এই পরীক্ষাটি সারা বিশ্বকেই কিছু শেখার সুযোগ দেয়। SETI সম্প্রদায় সম্ভাব্য বহির্জাগতিক সংকেতের অর্থ গ্রহণ, প্রক্রিয়া, বিশ্লেষণ এবং বোঝার জন্য কীভাবে একসঙ্গে কাজ করবে, তা বোঝার এক বড় মাধ্যম হল এই প্রক্রিয়া।”