ওঁরাই তৈরি করেছিলেন সত্যজিতের আঁকা ‘নন্দন’ এর লোগো

আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন দশক আগে তৈরি হওয়া বাংলার প্রথম মাল্টিপ্লেক্স 'নন্দন'। নন্দনের মুখ্য বাস্তুকার বি এন ব্যানার্জি এবং অন্য বাস্তুকাররা তিলে-তিলে গড়ে তুলছেন সত্যজিতের স্বপ্নের নন্দন।

  • Publish Date - 11:25 pm, Fri, 14 May 21


আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন দশক আগে তৈরি হওয়া বাংলার প্রথম মাল্টিপ্লেক্স ‘নন্দন’। নন্দনের মুখ্য বাস্তুকার বি এন ব্যানার্জি এবং অন্য বাস্তুকাররা তিলে-তিলে গড়ে তুলছেন সত্যজিতের স্বপ্নের নন্দন। এ এ সেনগুপ্ত, আরএন কুমাররা খোঁজ করছেন কোনও ভাস্করের যিনি তৈরি করতে পারবেন সত্যজিতের আঁকা নন্দনের লোগো। আশির দশকের মাঝামাঝি যখন গড়ে উঠছে সত্যজিতের নন্দন, তখন সরকারি আর্ট কলেজ থেকে পাশ করে বেরিয়েছেন কয়েকজন যুবক। তাঁদের চাই কাজ। প্রদীপ সুর, মহি পাল আর বিকাশ মুখোপাধ্যায়। অনেক প্রতিবন্ধকতা পার করে চন্দননগরের স্ট্যান্ডের কাছে প্রদীপ সুরের বাড়িতে তৈরি হয়েছিল ১০ ফুট ব্যাসের সুবিশাল লোগোটা। নেগেটিভভাবে এঁকে সরাসরি ছাঁচে ঢালা হয়েছিল। সত্যজিৎ চেয়েছিলেন লোগোটা হোক স্টিলের। কিন্তু অত বড় লোগো তৈরির খরচ এবং তার ইন্সটলেশন হয়ে পড়েছিল এক দুষ্কর বিষয়। এই তিন শিল্পী সত্যজিৎ রায়কে বলেন লোগোটা ফাইবার গ্লাসে তৈরি করলে খরচও কমবে এবং হালকাও হবে। সেই সিদ্ধান্ত মনে ধরে তাঁর। তারপর চন্দননগরের স্ট্যান্ডের কাছে প্রদীপ সুরের বাড়িতে তৈরি হয়ে ছিল ১০ ফুট ব্যসের সুবিশাল স্টিল রঙা ফাইবার গ্লাসের লোগোটা। প্লাই বোর্ড কাটতেও হয়েছিল এক ঝক্কি। সেসব মনে করে এখনও হেসে ওঠেন প্রদীপ, বিকাশ আর মহি।