AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Bankura: কুম্ভ থেকে আনা হল জল, ছেটানো হল ‘তৃণমূলীদের’ গায়ে! তৃণমূলের শক্তঘাঁটিতে বদলাচ্ছে সমীকরণ?

Bankura BJP Joining: দলবদলের আগে দলবদলুদের গায়ে মহাকুম্ভের গঙ্গাজল ছিটিয়ে দেন খোদ বিজেপি বিধায়ক। দলবদলুদের হাতে ধরানো হয় গীতাও। যাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার বক্তব্য, "গঙ্গাজল ছিটিয়ে তাঁদের শুদ্ধিকরণ করে তারপর নিজেদের পরিবারে সামিল করা হয়েছে। আগামী দিনে উন্নয়নের পথে সামিল হতে চান।" যদিও দলবদলুরা কেউই তৃণমূলের কর্মী ছিলেন না দাবি করেছেন তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা কমিটির সদস্য মধুসূদন ডাঙর।

Bankura: কুম্ভ থেকে আনা হল জল, ছেটানো হল 'তৃণমূলীদের' গায়ে! তৃণমূলের শক্তঘাঁটিতে বদলাচ্ছে সমীকরণ?
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 12, 2026 | 11:25 AM
Share

বাঁকুড়া:  ভোটের মুখে ফের ভাঙন ঘাসফুল শিবিরে। বাঁকুড়া বিধানসভার কুশতোড়া গ্রামে তৃণমূলের বুথ সভাপতি সহ প্রায় শতাধিক তৃণমূল কর্মী যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। দল বদলের আগে দলবদলুদের গায়ে উত্তরপ্রদেশের কুম্ভ থেকে আনা গঙ্গার জল ছিটিয়ে তাঁদের শুদ্ধিকরণ করেন বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা। দলবদলুদের হাতে ধরানো হয় গীতা। তারপর তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিজেপির পতাকা। যদিও তৃণমূলের দাবি, তাঁদের কোনও কর্মী দলবদল করেননি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া বিধানসভার মানুষ ভোটবাক্সে বিজেপি বিধায়কের শুদ্ধিকরণ করবে।

বাঁকুড়ার কালপাথর গ্রাম পঞ্চায়েতের কুশতোড়া গ্রাম গত লোকসভা নির্বাচনেও ছিল তৃনমূলের শক্ত ঘাঁটি। গত বিধানসভা নির্বাচন হোক বা লোকসভা এমনকি পঞ্চায়েত নির্বাচন সবক্ষেত্রেই শাসক তৃণমূলের পতাকা উড়েছে কুশতোড়া গ্রামে। এবার ভোটের মুখে সেই গ্রামেই তৃণমূলের একচেটিয়া ভোট ব্যঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। গতকাল গ্রামে আয়োজিত দলীয় একটি অনুষ্ঠানে গ্রামের তৃণমূল বুথ সভাপতি নন্দলাল শীট সহ প্রায় শতাধিক তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপিতে। দলবদলু নন্দলাল শীটের দাবি, কৃষিপ্রধান ওই গ্রামে সেচের জন্য দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসীরা একটি পুকুর খননের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু সেই দাবি পূরণ না হওয়াতেই এই দলবদল।

এদিকে দলবদলের আগে দলবদলুদের গায়ে মহাকুম্ভের গঙ্গাজল ছিটিয়ে দেন খোদ বিজেপি বিধায়ক। দলবদলুদের হাতে ধরানো হয় গীতাও। যাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার বক্তব্য, “গঙ্গাজল ছিটিয়ে তাঁদের শুদ্ধিকরণ করে তারপর নিজেদের পরিবারে সামিল করা হয়েছে। আগামী দিনে উন্নয়নের পথে সামিল হতে চান।” যদিও দলবদলুরা কেউই তৃণমূলের কর্মী ছিলেন না দাবি করেছেন তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা কমিটির সদস্য মধুসূদন ডাঙর। তাঁর কটাক্ষ, “এরকম কোনও কর্মী আমাদের দলে রয়েছে বলে তো আমাদের জানা নেই। ওরা প্রতিবার ভোটের আগেই নিজেদের মতো করে সাজিয়ে এই ধরনের যোগদানের একটা নাটক করে।”

এই এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণ লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বরাবরই এখানে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। লোকসভা হোক কিংবা বিধানসভা নির্বাচন, কালপাথার গ্রাম পঞ্চায়েতে বরাবরই যুযুধান পক্ষ একে অপরের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলেছে। রাজনৈতিক সমীকরণ বলছে,  ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে ১ হাজার ৮১ ভোটে এই গ্রাম পঞ্চায়েতে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে ৫৯০ ভোটে এগিয়ে যায় তৃণমূল। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ৬৮৭ ভোটে এগিয়েছিল তৃণমূল। 

Follow Us