AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Police Custody Death: ‘বাবা এবারের মতো বাঁচাও’, এটাই শেষ কথা! বরফের মতো ঠান্ডা শরীর ছেলের, পুলিশ হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য

Chandrakona Custody Death: পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন চন্দ্রকোনা থানায় বাথরুমে যান ওই আসামি। সেখানে গিয়ে পরনের প্যান্ট দিয়ে গলায় ফাঁস লাগায়। তৎক্ষণাৎ পুলিশ গিয়ে রাহুল রুইদাসকে উদ্ধার করে এবং চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

Police Custody Death: 'বাবা এবারের মতো বাঁচাও', এটাই শেষ কথা! বরফের মতো ঠান্ডা শরীর ছেলের, পুলিশ হেফাজতে অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য
পরিবারের কান্না।Image Credit: TV9 বাংলা
| Edited By: | Updated on: Sep 14, 2026 | 9:49 AM
Share

পশ্চিম মেদিনীপুর:  পুলিশ হেফাজতে আসামির মৃত্যু ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য। শৌচাগারের ভিতরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই আসামি, এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা থানায়।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, চন্দ্রকোনা থানার পুলিশ চারদিন আগে এলাকা থেকে রাহুল রুইদাস নামক এক ব্যক্তিকে চুরির মামলায় গ্রেফতার করে। পরে তাঁকে ঘাটাল মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে ৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন চন্দ্রকোনা থানায় বাথরুমে যান ওই আসামি। সেখানে গিয়ে পরনের প্যান্ট দিয়ে গলায় ফাঁস লাগায়। তৎক্ষণাৎ পুলিশ গিয়ে রাহুল রুইদাসকে উদ্ধার করে এবং চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায়, ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এইচডিউ (HDU)-তে  চিকিৎসাধীন থাকাকালীন মৃত্যু হয় আসামি রাহুল রুইদাসের।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মৃতের পরিবারের দাবি, এইভাবে কী করে মৃত্যু হতে পারে? পুলিশ মিথ্যা কথা বলছে। মৃতের মা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “আমার ছেলে আগে দু-একবার অপরাধ করেছে। আমি মেনে  নিচ্ছি, তার শাস্তি হত, কিন্তু আইন মেরে তো দিতে বলেনি। চারদিন ধরে কেউ রাখে থানায়? পুলিশই মেরেছে। সিভিক ভলান্টিয়ার এসে বলেছিল, তোমাদের ছেলেকে ঘাটালে পাঠানো হয়েছে। গতকাল রাতে ওঁর বাবাকে ফোন করে বলেছিল, বাবা এবারের মতো বাঁচাও। চন্দ্রকোনা থানায় আছি, আমায় বাঁচাও। হাসপাতালে কোনও মেশিন চলছিল না, গায়ে হাত দিয়ে দেখলাম বরফের মতো ঠান্ডা। এখানেই মরে গিয়েছে।”

Follow Us