Balurghat: ‘যদি রবিবার শান্তিতে খাসির মাংস আর তুলাইপাঞ্জি চাল খেতে চান…’, কাকে হুঁশিয়ারি দিলেন সুকান্ত?
Sukanta Majumdar: বৃহস্পতিবার কুশমণ্ডি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী তাপস চন্দ্র রায়ের সমর্থনে মানিকোরে জনসভা করেন সুকান্ত মজুমদার। মন্ত্রীর সঙ্গে এদিন সভায় বিজেপি প্রার্থী সহ অন্যান্য দলীয় নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। সভামঞ্চে যোগদান কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয় এদিন। বিভিন্ন দল ছেড়ে অনেকেই সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন।

বালুরঘাট: ভোটের প্রচার পুরোদমে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সব দল। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই পুলিশের অন্য চেহারা দেখা যাবে।” আর এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার কার্যত সতর্ক করলেন পুলিশকে।
কুশমণ্ডির সভা থেকে সুকান্ত বলেন, “পুলিশ যদি সোজা হয়ে যায় তাহলে তৃণমূলের পার্টি অফিস খোলার লোক পাওয়া যাবে না।” বিজেপির হয়ে নয়, নিরপেক্ষভাবে কাজ করার কথা বলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি বিধানসভার মানিকোর হাইস্কুল মাঠে দলীয় সভায় উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত। সেখান থেকেই কুশমণ্ডি থানার আইসিকে কড়া হুঁশিয়ারি দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
কুশমণ্ডি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী তাপস চন্দ্র রায়ের সমর্থনে মানিকোরে জনসভা করেন সুকান্ত মজুমদার। মন্ত্রীর সঙ্গে এদিন সভায় বিজেপি প্রার্থী সহ অন্যান্য দলীয় নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। সভামঞ্চে যোগদান কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয় এদিন। বিভিন্ন দল ছেড়ে অনেকেই সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন।
এদিনের সভা থেকে সুকান্ত মজুমদার কুশমণ্ডি থানার আইসি ও বিডিও-কে সতর্ক করেন। আইসি-কে কড়া ভাষায় সতর্ক করে বলেন, যদি তিনি পুলিশের ইউনিফর্ম পরে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্যাডারের মতো কাজ করেন, তবে যেন সেই ইউনিফর্ম ছেড়ে সরাসরি তৃণমূলের ঝান্ডা হাতে নিয়ে ভোটে দাঁড়ান আইসি। সুকান্তর দাবি, আইসি নাকি তৃণমূল নেতাদের ফোন করে ‘কাজে নামার’ নির্দেশ দিচ্ছেন। যদি আইসি নিরপেক্ষভাবে কাজ না করেন, তবে নির্বাচন কমিশন সংবিধানের ৩১১ ধারা প্রয়োগ করে তাকে বরখাস্ত করতে পারে এবং তখন মুখ্যমন্ত্রীও তাকে বাঁচাতে পারবেন না বলে সতর্ক করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।
আইসি-র উদ্দেশে সুকান্ত বলেন, “যদি ভাল চান, যদি বউ-বাচ্চা নিয়ে সুখে শান্তিতে ঘর করতে চান, রবিবারে শান্তিতে খাসির মাংস ও তুলাইপাঞ্জি চাল খেতে চান, তাহলে নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন। বিজেপির পক্ষে কাজ করতে হবে না। নিরপেক্ষ ভাবে, সোজা হয়ে কাজ করুন। বাকিটা আমরা বুঝে নেব। পুলিশ যদি সোজা হয়ে যায় তাহলে তৃণমূলের পার্টি অফিস খোলার লোক পাওয়া যাবে না।”
