AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

সুকান্ত মজুমদার

সুকান্ত মজুমদার

বাংলার বিশিষ্ট রাজনীতিকদের মধ্যে একজন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে ২০১৯ সালে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। পরে বাংলার বিজেপির দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। বঙ্গ বিজেপির দশম রাজ্য সভাপতি হিসেবে সুকান্ত মজুমদারকে বেছে নেয় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দিলীপ ঘোষের পর রাজ্য সভাপতি পদ পান তিনি।

সুকান্ত মজুমদার শুধুমাত্র একজন রাজীতিক নন, তিনি পেশায় অধ্যাপক। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বটানির অধ্যাপক তিনি। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় পিএইচডি করেছেন তিনি। বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা রয়েছে তাঁর। দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে তাঁর গবেষণাপত্র। সুকান্তর গবেষণার মূল বিষয় ছিল, অর্গানিক ফার্মিং বা জৈব পদ্ধতিতে চাষ-আবাদ।

সুকান্ত মজুমদারের বাবা সুশান্ত মজুমদার ছিলেন একজন সরকারি কর্মী, মা নিবেদিতা মজুমদার ছিলেন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা। অল্প বয়স থেকেই আরএসএস-এর সঙ্গে সংযোগ ছিল সুকান্ত মজুমদারের। সংঘ নেতৃত্বের নজরে পড়ে যাওয়ার পর ‘শাখা কার্যবহ’ ও ‘জেলা সম্পর্ক প্রমুখ’-এর দায়িত্ব পান তিনি। পরবর্তীতে রাজনীতির সঙ্গেই যোগ বাড়তে থাকে ক্রমশ। ক্রমে বিজেপির একজন সক্রিয় সদস্য হয়ে ওঠেন তিনি। ২০১৯ সালে তৃণমূলের অর্পিতা ঘোষকে ৩৩ হাজার ২৯৩ ভোটে হারিয়ে প্রথমবার সাংসদ হন সুকান্ত।

একটি আবেদনপত্রের ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল যেখানে দেখা যায়, আবেদনকারীর নাম সুকান্ত মজুমদার। সেটি ছিল তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠন WEBCUPA (ওয়েস্ট বেঙ্গল কলেজ অ্যান্ড ইউনিভার্সিটি প্রফেসরস অ্যাসোসিয়েশন)-র সদস্যপদ গ্রহণের আবেদনপত্র। এই নিয়ে বিতর্কও হয়। তবে পরে সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছিলেন না বুঝেই তিনি ওই সংগঠনের সদস্য হয়ে গিয়েছিলেন।

Read More

Vande Bharat Sleeper: বন্দে ভারত স্লিপারে আমিষ কি পাওয়া যাবে? রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে যা জানালেন সুকান্ত…

Sukanta Majumdar on nonveg menu in Vande Bharat sleeper: কবে থেকে বন্দে ভারত স্লিপারে আমিষ খাবার পাওয়া যাবে? দিনক্ষণ অবশ্য বলতে পারলেন না বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত। তিনি বলেন, " ধীরে ধীরে চালু করতে হয়। একবারে তো পাওয়া যায় না।" অর্থাৎ বন্দে ভারত স্লিপারে আমিষ চালু হলেও কবে থেকে তা হবে, সেই নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তৃণমূল বিষয়টিকে ইস্যু করে কি না, সেটাই এখন দেখার।

Sukanta Majumdar: কাদের ভারতের নাগরিক হতে দেবেন না? বহরমপুর থেকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

Sukanta Majumdar on SIR: এদিন নাম না করে হুমায়ুন কবীরকেও হুঁশিুয়ারি দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, "মুর্শিদাবাদ জেলার এক প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বর্তমানে নতুন দল করেছেন। সগর্বে বলতেন, মুর্শিদাবাদে হিন্দু ৩০, আমরা ৭০ শতাংশ। ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেব। সেই জন্য এই মুহূর্তে এই রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার দরকার। আর যারা কেটে ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কথা বলে, তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, এখনও ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নাম নরেন্দ্র মোদী। ভারতের সংবিধান সবাইকে মানতে হবে।"

সিঙ্গুরে সভা মোদীর, বেচারামকে তোপ দেগে সুকান্ত বললেন…

বাংলায় প্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৮ জানুয়ারি হুগলির সিঙ্গুরে সভা করবেন তিনি। কিন্তু, সেই সভার জন্য জমি দিতে জমিদাতার অনিচ্ছুক বলে জানা যায়। এই নিয়ে এবার তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্নাকে নিশানা করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, "সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর সভার জন্য জায়গা না দিতে কৃষকদের উস্কানি দিচ্ছেন বেচারাম মান্না।" একইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, "সভার জন্য জায়গা না দিলে ১ লক্ষ লোক নিয়ে বেচারাম মান্নার বাড়ি যাব।" সিঙ্গুর থেকে টাটাদের ন্যানো কারখানা উঠে যাওয়ার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লাগাতার নিশানা করে চলেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রীও সিঙ্গুর থেকে এই নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করতে পারেন। তার আগেই মোদীর সভার জন্য জায়গা পাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে।

ছাব্বিশের নির্বাচনকে ‘কুরুক্ষেত্র’ বললেন সুকান্ত, যুক্তিও দিলেন…

বুধবার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি থেকে রাজ্যস্তরের নেতাদের বার্তা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর শাহর আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ছাব্বিশের নির্বাচনকে 'কুরুক্ষেত্র' বললেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মহাভারতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "আমরা মহাভারতে গল্প শুনেছি, অর্জুন-সহ সবাইকে দ্রোণাচার্য জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কী দেখতে পাচ্ছ। কেউ বলেছিল, আমি গাছে পাতা দেখতে পাচ্ছি। কেউ বলেছিল, পাখির ঠোঁট দেখতে পাচ্ছি। অর্জুন একমাত্র বলেছিল, আমি পাখির ঠোঁট দেখতে পাচ্ছি। বন্ধুগণ, আপনারা কী দেখতে পাচ্ছেন, সেটা আমি বলতে পারব না। কিন্তু, প্রায় ৪ বছর ধরে রাজ্য সভাপতির কাজ করার পর আমি দেখতে পাচ্ছি, ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিচ্ছে। আপনাদের দিকে তাকিয়ে তা দেখতে পাচ্ছি। কলকাতার চারটি জেলার (বিজেপির ৪ সাংগঠনিক জেলা) শক্তিকেন্দ্র ও মণ্ডলে লোককে ডাকা হয়েছে। তার বিশ্বরূপ যদি এটা হতে পারে, তাহলে মনে রাখবেন এই কুরুক্ষেত্রে জয় আমাদের অর্থাৎ পাণ্ডবদের জয় হবে।" তৃণমূলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, "অমিত শাহর নাম শুনলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুরো পার্টি থরথর করে কাঁপে।"

‘হাতে উঠবে যখন কাঁচা বাঁশ’, TMC বিধায়কের ‘হাত কাটার’ কী জবাব দিলেন সুকান্ত?

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের এখনও মাস চারেক বাকি। এখন থেকেই চড়ছে রাজনীতির পারদ। রাজনৈতিক নেতাদের তরজা বেড়ে চলেছে। এবার তারকেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক রামেন্দু সিংহরায়কে পাল্টা আক্রমণ করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তৃণমূল বিধায়ক হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, 'যদি একটা তৃণমূলের পতাকায় হাত পড়ে, তাহলে যে হাত দেবে, সেই হাতটা কেটে দেব।' রামেন্দুর এই হুঁশিয়ারির পাল্টা দিলেন সুকান্ত। তিনি বলেন, "আপনি হাত কাটতে আসবে, আর বিজেপি এত বড় একটা পার্টি, আমরা কি গান করব? গোরি হ্যয় কলাইয়া.. হরী হরী চুড়িয়া।" এরপরই তাঁর হুঙ্কার, "বিজেপি মারামারি করে না। কিন্তু, মনে রাখবেন রামেন্দুবাবু, হাতে উঠবে যখন কাঁচা বাঁশ, পাল্টে যাবে ইতিহাস। সেই ক্ষমতা বিজেপির আছে।"

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হবে না, হবে না, হবে না: সুকান্ত

শনিবার জাতীয় গ্রন্থাগারে বিজেপির মৎস্যজীবী সেলের একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে হাজির হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেখানে গিয়েই শাসক দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন তিনি। বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমি আপনাকে বলে দিতে চাই। আমি জ্যোতিষী নই, কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার করে দিচ্ছি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হবে না, হবে না, হবে না।"

Abhishek Banerjee: ডায়মন্ড হারবার ছেড়ে শুভেন্দু ‘গড়’? ‘ওটা সুকান্তর সুপ্ত বাসনা’, বললেন অভিষেক

Abhishek Banerjee on Sukanta Majumdar: রাজনৈতিক কারবারীদের মতে, শুধুই সুকান্ত নন, সাম্প্রতিক অতীতে বিজেপির অন্দর থেকে অনেকেই এই জল্পনাকে উস্কে দিয়েছেন। সুকান্ত সেই তালিকায় 'উল্লেখযোগ্য' ব্যক্তিত্ব মাত্র। অবশ্য বিজেপি সাংসদের এই সমস্ত দাবিকেই নস্যাৎ করেছেন অভিষেক। সোমবার 'সেবাশ্রয় ২'-এর উদ্বোধনে এসে তিনি বলেন, 'ওটা হয়তো সুকান্তবাবুর মনের সুপ্ত বাসনা।

Sukanta Majumdar: ‘সব হিন্দু পৃথ্বীরাজ নন, কেউ জয়চন্দ্রও হয়…’, দিলীপ-অভিজিৎ জল্পনার মাঝে ইঙ্গিত সুকান্তর

Protest Against Sukanta Majumdar: সুকান্তর এই মন্তব্যকে একেবারে 'সহজপাচ্য' তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত হিসাবে দেখছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবারের বিক্ষোভ যখন বারংবার জুড়ে যাচ্ছে দিলীপ-অভিজিতের নামটা সেই আবহে এই মন্তব্যের একাধিক মুখ থাকতে পারে বলেই মত তাঁদের।

Sukanta Majumdar: ‘সব ববির লোক…’, সুকান্তকে ঘিরে বিক্ষোভ! নেপথ্যে অভিজিৎ-দিলীপ?

Protest Against Sukanta Majumdar: ২০২১ সাল বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদ থেকে হঠাৎ সরিয়ে দেওয়া হল দিলীপ ঘোষকে। মেয়াদ শেষের আগেই দিলীপের জায়গায় বসানো হল তৎকালীন সময়ে বিজেপির উত্তরবঙ্গের যুগ্ম আহ্বায়ক সুকান্ত মজুমদারকে। উত্তরবঙ্গে তরুণ নেতা, অধ্য়াপক এলেন প্রচারের আলোয়। তখন যেন গোধূলী। আধার নামছে।

SIR আতঙ্কে মৃত্যু? সুকান্ত বললেন…

গত ২৭ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্যে এসআইআর শুরুর ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। গত ৪ নভেম্বর থেকে এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছে। এরই মাঝে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেশ কয়েকজনের এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। বিজেপি ও কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে তৃণমূল। এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা ও মৃত্যুর অভিযোগ নিয়ে এবার রাজ্যের শাসকদলকে কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, "১২টি রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে। তাহলে ১২টি রাজ্যেই তো মৃত্যু হত। আসলে ওখানে কোথাও তৃণমূল নামে কালসর্প দোষ নেই। তৃণমূলে নামে কালসর্প দোষ বাংলায় আছে বলে বাংলার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।" একইসঙ্গে তিনি বলেন, "এসআইআরে নাম না থাকলে সর্বোচ্চ কী হতে পারে? তিনি ভোট দিতে পারবেন না।"