Tarakeswar: এক ওয়ার্ডের হাজার হাজার ভোট অন্য ওয়ার্ডে? ১০ বছর ধরে তলেতলে চলছিল ‘খেলা’? ‘ভূত’ ধরতে গিয়ে জনতার ক্ষোভের নেতারা
Tarakeswar: ভুয়ো ভোটার ধরতে এদিন তারকেশ্বরে বড় কর্মসূচি নেয় তৃণমূল। সকাল থেকেই তারকেশ্বর পৌরসভার একাধিক ওয়ার্ডে ভোটার কার্ড যাচাই করতে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। কিন্তু, কর্মসূচি শুরু হতে না হতেই শুরু হয়ে যায় জনতার বিক্ষোভ।

তারকেশ্বর: ভূতুড় নিয়ে চাপানউতোরের অন্ত নেই। ভূত ধরতে কমিটি গড়ে মাঠে নেমে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল। কিন্তু, সেখানেও রক্ষা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ভোটার কার্ড যাচাই করতে গিয়ে সাধরণ মানুষের ক্ষোভের মুখে তৃণমূল নেতারা। চাঞ্চল্য তারকেশ্বরে। এক ওয়ার্ডের ভোটার, ভোট দিতে হয় অন্য ওয়ার্ডে, পরিষেবা-সহ একাধিক সমস্যা জর্জরিত তারকেশ্বর পৌরসভার ১৪ টি ওয়ার্ডের হাজার হাজার বাসিন্দা। এদিন
ভুয়ো ভোটার ধরতে এদিন তারকেশ্বরে বড় কর্মসূচি নেয় তৃণমূল। সকাল থেকেই তারকেশ্বর পৌরসভার একাধিক ওয়ার্ডে ভোটার কার্ড যাচাই করতে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। কিন্তু, কর্মসূচি শুরু হতে না হতেই শুরু হয়ে যায় জনতার বিক্ষোভ। ১৫ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৪ টি ওয়ার্ডের বড় অংশের বাসিন্দাদের অভিযোগ ভোটের সময় তাঁদের ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না তাঁরা। ভোট দিতে হয় অন্য ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচনে। তাঁদের স্থায়ী ঠিকানা এক, আর ভোটার তালিকার ঠিকানা অন্য। তাতেই চরম সমস্যায় তারকেশ্বরের হাজার হাজার মানুষ।
অভিযোগ স্থায়ী বাসিন্দা আর ভোটার লিস্টে থাকা ঠিকানা এক না হওয়ার কারণে পৌর পরিষেবা বা কোনও শংসাপত্রের প্রয়োজন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের। কারণ, কোন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিনের শেষে তাঁদের পরিষেবা দেবেন তা নিয়েই রয়েছে ধোঁয়াশা। এলাকার লোকজনের দাবি, এই ‘বঞ্চনা’ নতুন নয়, চলছে ২০১৫ সাল থেকে। কিন্তু কেন এই সমস্যা?
মূলত একটি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট জনসংখ্যার বিচারে একজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এবার একটি ওয়ার্ডে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে যে ওয়ার্ডে জনসংখ্যা কম সেখানে আগের ওয়ার্ডের বাড়তি বাসিন্দাদের ভোটার হিসাবে ঢোকানো হয়েছে বলে খবর। আর এখানেই তৈরি হয়েছে জট। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ২০১৫ সাল থেকে তারকেশ্বর পৌরসভাজুড়ে ওয়ার্ডভিত্তিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে শুরু হয়েছে এই ভোটার বিভ্রাট। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁদের সমস্যা গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না কমিশন। তাঁদের দাবি, শুধুমাত্র পৌর ভোটেই নয়, বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনেও অন্য ওয়ার্ডে গিয়ে তাদের ভোটা দিতে হয়। আর এই সমস্যার কথা তুলে ধরেই এদিন তাঁরা তৃণমূল নেতাদের দেখেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তবে সমস্যা যে রয়েছে তা মানছেন কাউন্সিলররা। তাঁরা নিজেরাও বিভ্রান্ত। তাঁদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের উপরতলা থেকে নিচতলা, সব মহলে জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।
