AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Vegetable Price Gap: রাস্তার ধারের দুটো বাজারের দূরত্ব মেরেকেটে ১০০ ফুট, তাতে পটল-আলুর দাম কেজি প্রতি বাড়ছে ৩০ টাকা! আপনার এলাকায় কোন বাজার থেকে সবজি কিনবেন জানুন

Vegetable Price Gap In Market: কয়েক ঘণ্টা আগেই চাষিরা পাইকারি বাজারে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে পটল বিক্রি করলেও খুচরো বাজারে সেই পটলই বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। একইভাবে পাইকারি বাজারে চাষিদের কাছ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে শশা কেনা হলেও খুচরো বাজারে তা পৌঁছে যাচ্ছে ১০০ টাকায়।

Vegetable Price Gap: রাস্তার ধারের দুটো বাজারের দূরত্ব মেরেকেটে ১০০ ফুট, তাতে পটল-আলুর দাম কেজি প্রতি বাড়ছে ৩০ টাকা! আপনার এলাকায় কোন বাজার থেকে সবজি কিনবেন জানুন
সবজির দামImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 17, 2026 | 9:00 AM
Share

আরামবাগ: পকেট ভর্তি টাকা, থলে হাতে নিয়ে বাজার গেলেন। ব্যাগ ভরলো কী ভরলো না, পকেট কিন্তু আপনার ফাঁকা! নিত্য নৈমিত্তিক বাজার করতে গিয়ে মধ্যবিত্তদের গার্হস্থ্য অনুশাসন এখন চরমে। পাইকারি বাজারের ১০০ ফুটের ব্যবধানেই সবজির দামে ২০-৩০ টাকার ফারাক! নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন। পাইকারি বাজারে চাষিরা যে দামে সবজি বিক্রি করছেন, তার থেকে মাত্র ৫০-১০০ মিটার দূরের খুচরো বাজারে সেই সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা, এমনই অভিযোগ ক্রেতাদের। ফলে একই এলাকায় পাশাপাশি থাকা পাইকারি ও খুচরো বাজারের দামের এই ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আরামবাগের কামারপুকুর সবজি বাজারের TV9 বাংলা ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের কাছেই পৌঁছে গেল।

কয়েক ঘণ্টা আগেই চাষিরা পাইকারি বাজারে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে পটল বিক্রি করলেও খুচরো বাজারে সেই পটলই বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। একইভাবে পাইকারি বাজারে চাষিদের কাছ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে শশা কেনা হলেও খুচরো বাজারে তা পৌঁছে যাচ্ছে ১০০ টাকায়। অর্থাৎ, পাইকারি বাজার থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরেই সবজির দামে বড় ফারাক দেখা যাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি দরে সবজি কেনার পর তা বাছাই, নষ্ট অংশ বাদ দেওয়া এবং বিক্রির উপযোগী করতে অতিরিক্ত খরচ হয়। সেই কারণেই খুচরো বাজারে দাম কিছুটা বাড়াতে হয়। তবে ক্রেতাদের প্রশ্ন, পাইকারি বাজার থেকে এত অল্প দূরত্বে যদি কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা দাম বেড়ে যায়, তাহলে বাজারে নজরদারি কতটা কার্যকর, তা খতিয়ে দেখা দরকার।

ক্রেতাদের একাংশের দাবি, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাব এবং বিশ্বকর্মা পুজোকে ঘিরে চাহিদা বাড়ায় সবজির দাম ইতিমধ্যেই অনেকটা বেড়েছে। তার উপর পাইকারি ও খুচরো বাজারের এই ব্যবধান সাধারণ মানুষের পকেটে বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

এক সবজি বিক্রেতা বলেন, “আসলে বন্যার জলে অনেক সবজি নষ্ট হয়েছে। তাছাড়া পাইকারি বাজার থেকে সবজি বাইরে চলে যাচ্ছে। চাহিদা রয়েছে। তাই দামও বাড়ছে। আমাদের তো ইউনিয়নের সিস্টেম মেনেই চলবে হবে।”

এক ক্রেতা বললেন, “বাজারে আসলে তো দম ফুরনোর জোগাড়। সবজিতে হাত দেওয়া যাচ্ছে না। শশা নাকি ১০০ টাকা কেজি! ভাবতে পারেন। আসলে এটাও বুঝতে হবে, সবজি সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আর ফলনও অনেক কম। চাষিরা সব অন্যান্য ব্যবসাও শুরু করছে নিজেদের মতো। আগে তো ফলনও অনেক হত।” সেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের সুবিধা যদি এলাকায় পাইকারি বাজার কিংবা চাষিরা নিজেরা এসে সবজি বিক্রি করেন, তাঁদের থেকেই সবজি কেনা।

Follow Us