Kaliachak Judges Attack: ‘অফিসের পরিবেশ স্পর্শকাতর…’, ৭২ ঘণ্টা পর সামনে এল সাত বিচারকের চিঠি
Judicial Officers: চিঠিটি পড়লেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, বুধবার কোনও আকস্মিক হামলার ঘটনা ঘটেনি। অনেক আগে থেকেই এর আঁচ পেয়েছিলেন বিচারকরা। সরাসরি জেলাশাসককে জানিয়েছিলেন, আশঙ্কার কথা। চিঠির ছত্রে ছত্রে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। শুরুতেই লেখা হয়েছে নিরাপত্তার অভাবের কথা।

কালিয়াচক: ৮-৯ ঘণ্টা ধরে বিডিও অফিসে আটকে ছিলেন সাত বিচারক তথা জুডিশিয়াল অফিসার। তাঁর মধ্যে তিন জন মহিলা। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় গোটা রাজ্য। তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ। এরইমধ্যে প্রকাশ্য়ে এল এক চিঠি। ঘটনার ঠিক সাতদিন আগে ওই সাত বিচারক চিঠি দিয়েছিলেন মালদহের জেলাশাসককে।
চিঠিটি পড়লেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, বুধবার কোনও আকস্মিক হামলার ঘটনা ঘটেনি। অনেক আগে থেকেই এর আঁচ পেয়েছিলেন বিচারকরা। সরাসরি জেলাশাসককে জানিয়েছিলেন, আশঙ্কার কথা। চিঠির ছত্রে ছত্রে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। শুরুতেই লেখা হয়েছে নিরাপত্তার অভাবের কথা।
শুধু তাই নয়, TV9 বাংলার হাতে যে এক্সক্লুসিভ চিঠি এসেছে, তাতে লেখা, “কালিয়াচক ২ নম্বরের বিডিও অফিসের পরিবেশ ক্রমশ স্পর্শকাতর হয়ে উঠছে। স্থানীয় লোকজন, যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তারা হামলা করতে পারে, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। আমাদের প্রতিদিনের যাতায়াত করার পথে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।” প্রায় ৫৪ কিলোমিটার রাস্তা পার করে তাঁদের যেতে হত বলে জানিয়েছেন ওই বিচারকরা। সাতজনই ওই চিঠি লেখেন জেলাশাসককে।
গত ২৩ মার্চ ওই চিঠি লেখা হয়েছিল। সরাসরি জেলাশাসককে বলা হয়েছিল, সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরলে মোথাবাড়ি এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। সাতদিন আগে পুরো বিষয় জানা সত্ত্বেও কেন জেলাশাসক কোনও ব্যবস্থা নিলেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে, জেলাশাসক কি পুলিশকে কিছুই জানাননি?
এই চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপির দাবি, এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সিএএ-এনআরসির সময় একই ঘটনা ঘটেছিল বলে উল্লেখ করেছেন বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার। তাঁর কথায়, “বারবার মুর্শিদাবাদ, মালদহে একই ঘটনা ঘটেছে। এটা ষড়যন্ত্র। এটা ভাঙতে হবে।” অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে মুখপাত্র ঋজু দত্তের প্রশ্ন, কমিশনের নিযুক্ত করা জেলাশাসক কী করল তাহলে? মালদহের পুলিশ অবজারভারের জয়ন্ত কান্তের স্ত্রী বিহারের বিজেপির প্রার্থী ছিল বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
