Kaliyachak Judges Attack: কালিয়াচক-কাণ্ডে বড় আপডেট, পালানোর সময় এয়ারপোর্ট থেকে গ্রেফতার মোফাক্কেরুল ইসলাম
Malda Arrest: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবারই মালদহের কালিয়াচকে যাচ্ছেন তদন্তকারী সংস্থার এনআইএ-র অফিসাররা। তার ঠিক আগেই গ্রেফতার করা হল মিম নেতাকে। পুলিশ সূত্রের খবর, বিমানবন্দর দিয়ে পালানোর পরিকল্পনা ছিল ওই ব্যক্তির।

মালদহ: কালিয়াচক-কাণ্ডে গ্রেফতার মিম নেতা। শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশ। ধৃতের নাম মোফাক্কেরুল ইসলাম। বুধবার রাত থেকেই ভাইরাল হয়ে কালিয়াচকের বিক্ষোভের একটি ছবি। সেখানে দেখা যায়, বিপুল জমায়েতের মাঝে গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে কিছু বক্তব্য রাখছেন ওই ব্যক্তি। ঘটনার পর থেকেই তাঁকে খুঁজছিল পুলিশ। বাড়িতে গিয়েও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হল তাঁকে।
বুধবার দুপুর ৩টের পর থেকে সাত বিচারককে ঘেরাও করে রাখার অভিযোগ ওঠে মালদহের কালিয়াচকে। রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত আটকে রাখা হয়েছিল তাঁদের। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁদের বের করে নিয়ে যায়। সেই সময়ও তাঁদের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, এক মহিলা আইনজীবীর অডিয়ো ভাইরাল হয় বৃহস্পতিবার। সেখানে ওই মহিলাকে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করতে শোনা যায়। এরপর বৃহস্পতিবারই ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এবার গ্রেফতার করা হল মিম নেতাকে। এই ঘটনায় মোট ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে গ্রেফতার হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই মোফাক্কেরুলকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করতে দেখা যায়। সেখানে তিনি বলছেন, “ভোটারদের নাম ডিলিট হয়েছিল বলে প্রতিবাদ করতে গিয়ে অ্যারেস্ট হলাম।” পরে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সেই পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে মোফাক্কেরুলের কোনও খোঁজ ছিল না। তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি। আচমকা এদিন তিনি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করে গ্রেফতার হওয়ার কথা জানান। বিজেপির দাবি, কেউ কেউ ভারতে বসেই দেশের ক্ষতি করছেন। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “যাঁরা এই ঘটনার পিছনে আছেন, যাঁরা কার্যত ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, যাঁরা জনবিন্যাস পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন, তাঁদের খুঁজে খুঁজে আইনের অধীনে আনতে হবে। ভারতে বসে ভারতের ক্ষতি করা হচ্ছে।” অন্যদিকে তৃণমূল নেতা ঋজু দত্ত বলেন, “বিক্ষোভ তো সর্বত্র হচ্ছে। মিম নেতা সেই আগুনে ঘি ঢেলেছেন। যাঁরা এই কাজ করেছেন, তাঁদের সবার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।”
